অমৃতসর, ৮ এপ্রিল: পাঞ্জাবের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা মনোরঞ্জন কালিয়ার জলন্ধরের বাসভবনের বাইরে বিস্ফোরণ। আর সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায়। এবার সেই বিস্ফোরণ কাণ্ডে দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করল পাঞ্জাব পুলিস। যদিও ধৃতদের নাম পরিচয় জানায়নি পুলিস। এই ঘটনার জন্য দায় স্বীকার করে নিয়েছে বব্বর খালসা আন্তর্জাতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকা জঙ্গি হ্যাপি পাসিয়া।
তবে এই ঘটনার পিছনে শুধুই তিনিই নন আরও অনেকে যুক্ত রয়েছেন বলে জানিয়েছে পাঞ্জাব পুলিস। গোটা বিষয়টির পিছনে রয়েছে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই, বব্বর খালসা আন্তর্জাতিক সংগঠন, পাকিস্তানের গ্যাংস্টার শেহজাদ ভাট্টি ও জিসান আখতার। এই জিসান আখতার আবার কুখ্যাত দুষ্কৃতী লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ঘনিষ্ঠ ও এনসিপি নেতা বাবা সিদ্দিকী খুনে অভিযুক্ত। পুলিস জানিয়েছে, এরাই পাঞ্জাবের সম্প্রীতি নষ্টের জন্য চেষ্টা করছে। সেই বিষয়ে একটি বিস্তারিত প্ল্যান রয়েছে তাদের। যার অন্যতম অংশ হল বিজেপি নেতা মনোরঞ্জন কালিয়ার বাসভবনে হামলা চালানো।
জাব পুলিসগতকাল, সোমবার গভীর রাত ১টা নাগাদ বিজেপি নেতার বাসভবনের বাইরে বিস্ফোরণটি ঘটায় ধৃতরা। খবর পেয়েই দ্রুত তাঁর বাসভবনে পৌঁছয় পুলিস। জানা যায়, বিস্ফোরণের সময়ে বাড়িতেই ছিলেন মনোরঞ্জনবাবু। কিন্তু তাঁর কোনও ক্ষতি হয়নি। বিজেপি নেতার বাসভবনের বাইরে গেটে বিস্ফোরণটি হয়। পুলিসের প্রাথমিক অনুমান ছিল, কোনও দুষ্কৃতী গ্রেনেড হামলা চালিয়েছে। আজ, মঙ্গলবার ভোর রাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছে নমুনা সংগ্রহ করে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা। এই বিষয়ে বিজেপি নেতা মনোরঞ্জন কালিয়া জানিয়েছেন, ‘আমি ঘুমাচ্ছিলাম। বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে যায়। প্রথমে ভেবেছিলাম কোনও ট্রান্সফর্মার ফেটেছে। তারপরে পরিবারের এক সদস্য বলেন সেটি বোমা বিস্ফোরণের শব্দ।’ পুলিস ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে ও পরে তাদের গ্রেপ্তার করে।