Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

টিউশনে গিয়ে নিখোঁজ গরফার কিশোরী, তদন্তে লালবাজার

রবিবার প্রাইভেট টিউটরের কাছে পড়তে গিয়েছিল নাবালিকা। তারপর থেকে বেপাত্তা! দু’দিন কেটে গেলেও খোঁজ মেলেনি ১৪ বছরের কিশোরীর।

টিউশনে গিয়ে নিখোঁজ গরফার কিশোরী, তদন্তে লালবাজার
  • ৬ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রবিবার প্রাইভেট টিউটরের কাছে পড়তে গিয়েছিল নাবালিকা। তারপর থেকে বেপাত্তা! দু’দিন কেটে গেলেও খোঁজ মেলেনি ১৪ বছরের কিশোরীর। গরফা থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেছেন নাবালিকার বাবা। তার ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগের মিসিং পার্সনস স্কোয়াড পৃথকভাবে তদন্ত চালাচ্ছে বলেও জানা গিয়েছে। 

Advertisement

ঢাকুরিয়ার সেলিমপুর রোডের বাসিন্দা ওই নাবালিকা। দক্ষিণ কলকাতার একটি স্কুলে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সে। পরিবারের সদস্যরা পুলিসকে জানিয়েছেন, প্রতি রবিবার সকালে টিউশন থাকে ওই ছাত্রীর। ৩ আগস্ট কিছুটা দেরিতে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল সে। পরণে ছিল সাদা কুর্তি ও কালো লেগিন্স। তার কাছে একটি মোবাইল ফোনও ছিল। পরিবার জানিয়েছে, পড়া শেষ হয়ে যাওয়ার অনেকটা সময় পরও সে বাড়ি না ফেরায় একাধিকবার ফোন করেন তার বাবা। কিন্তু ফোনটি সুইচড অফ ছিল। তখন প্রাইভেট টিউটরকে ফোন করেন। তিনি জানান, ওই দিন পড়তেই আসেনি কিশোরী। এরপর পুলিসের দ্বারস্থ হয় পরিবার। গরফা থানায় নিখোঁজ ডায়েরি রুজু হয়। নাবালিকার মোবাইল ফোন ট্র্যাক করছে কলকাতা পুলিস। তবে নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত সেই মোবাইল ফোন ‘অন’ পাওয়া যায়নি। 
এই ঘটনায় নানা জল্পনা শুরু হয়েছে এলাকায়। রহস্য দানা বেঁধেছে। তাকে অপহরণ করা হয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেলিমপুরে নাবালিকার বাড়ির আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করছেন তদন্তকারীরা। তবে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কিশোরীর পরিবারের কাছে মুক্তিপণ চেয়ে কোনও ফোন আসেনি। তাই এই ঘটনা অপহরণের কি না, তা নিয়েও সন্দিহান তদন্তকারীরা। নাবালিকার কারও সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক আছে কি না, খোঁজ নিচ্ছে পুলিস। ছাত্রীর বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গেও কথা বলা চলছে। সম্পর্কজনিত কারণে নাবালিকা নিজে থেকেই বাড়ি ছেড়েছে কি না, তা তদন্তসাপেক্ষ বলে জানিয়েছে পুলিস। লালবাজার সূত্রে খবর, অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিষয়টি দেখা হচ্ছে। এখনই তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে প্রকাশ্যে কোনও কথা বলা সম্ভব নয়। নিখোঁজ নাবালিকাকে নিরাপদে উদ্ধার করাটাই তাদের অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এক পুলিসকর্তা। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ