Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

ব্যাংক ধর্মঘটে ভালো সাড়া, টানা পাঁচদিন পরিষেবা বন্ধে হয়রানি গ্রাহকের, ১২ ফেব্রুয়ারি ফের ভোগান্তির আশঙ্কা

মঙ্গলবার দেশজুড়ে ডাকা ব্যাংক ধর্মঘটে ভালো সাড়া পড়ল। এর ফলে পরপর পাঁচদিন ব্যাংক পরিষেবা বন্ধ থাকায় চরম হয়রানির শিকার হলেন সাধারণ গ্রাহক।

ব্যাংক ধর্মঘটে ভালো সাড়া, টানা পাঁচদিন পরিষেবা বন্ধে হয়রানি গ্রাহকের, ১২ ফেব্রুয়ারি ফের ভোগান্তির আশঙ্কা
  • ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০১
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মঙ্গলবার দেশজুড়ে ডাকা ব্যাংক ধর্মঘটে ভালো সাড়া পড়ল। এর ফলে পরপর পাঁচদিন ব্যাংক পরিষেবা বন্ধ থাকায় চরম হয়রানির শিকার হলেন সাধারণ গ্রাহক। ভালো প্রভাব পড়ল এটিএমগুলিতেও। তবে এখানেই শেষ নয়। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি শ্রমিক সংগঠনগুলি দেশজুড়ে যে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে, তাতে অংশ নিতে চলেছেন ব্যাংকের কর্মী ও অফিসাররা। ফলে ওইদিনও ব্যাংক পরিষেবা ব্যাপকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

Advertisement

সপ্তাহে পাঁচদিন পরিষেবা চালু রেখে শনি ও রবিবার ব্যাংক বন্ধের দাবি দীর্ঘদিনের। ব্যাংক কর্তৃপক্ষের নিজস্ব সংগঠন ইন্ডিয়ান ব্যাংকস অ্যাসোসিয়েশন সেই দাবি নীতিগতভাবে মেনে নিলেও, কেন্দ্রীয় সরকার তা চালু করার বিষয়ে টালবাহানা করেই যাচ্ছে। এই অভিযোগেই একযোগে মঙ্গলবার ধর্মঘটে শামিল হয় ব্যাংক অফিসার ও কর্মীদের নয়টি সংগঠনের যৌথ মঞ্চ ইউনাইটেড ফোরাম অব ব্যাংক ইউনিয়নস। যেহেতু এটিএমের নিরাপত্তারক্ষীরা ওই মঞ্চের আওতায় আছেন, তাই এটিএমগুলিতেও ভালো প্রভাব পড়ে। ধর্মঘটীদের কথায়, চলতি মাসের ২২ ও ২৩ তারিখে দিল্লিতে মুখ্য শ্রম কমিশনারের তরফে ব্যাংক ধর্মঘট প্রত্যাহার করার জন্য বৈঠক ডাকা হয়। সেখানে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ এবং ধর্মঘটীদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রকের কর্তারাও। কিন্তু কোনও সদর্থক সিদ্ধান্ত না-হওয়ায় ধর্মঘটে অবিচল থাকেন কর্মী ও অফিসাররা। এদিন ধর্মঘটের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের শাখাগুলিতে। তুলনামূলক কম প্রভাব ছিল প্রথম সারির বেসরকারি ব্যাংকগুলিতে। এদিন ধর্মঘটীরা সকাল থেকেই বেশিরভাগ  ব্রাঞ্চের শাটার নামিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন। তবে মোবাইল ও নেট ব্যাংকিং পরিষেবায় কোনও প্রভাব পড়েনি এদিন।

অল ইন্ডিয়া ব্যাংক এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সর্বভারতীয় সভাপতি রাজেন নাগর বলেন, গোটা দেশেই ধর্মঘট সফল হয়েছে বলে খবর পেয়েছি আমরা। সিংহভাগ এটিএম বন্ধ ছিল এদিন। সাধারণ লেনদেন, চেক ক্লিয়ারেন্সের মতো কাজ একেবারে থমকে ছিল। রাজেনবাবু জানিয়েছেন, তাঁদের ইউনিয়নের পাশাপাশি একাধিক কর্মী ও অফিসার সংগঠন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশজুড়ে ডাকা ধর্মঘটে অংশ নিতে চলেছে। কেন্দ্রীয় সরকার শ্রমিক বিরোধী যে শ্রম কোড চালু করেছে, তারই প্রতিবাদে ওই ধর্মঘট। ফলে ওইদিনও ব্যাংক পরিষেবা থমকে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ