কানপুর: প্রায় ৫০ বার চেষ্টা করেও মেলেনি সরকারি চাকরি। ফলে বাড়ছিল হতাশা। এর জেরে আত্মঘাতী উত্তরপ্রদেশের এক বিটেক ইঞ্জিনিয়ার। অত্যন্ত মেধাবি এই পড়ুয়া রাজ্যের মধ্যে তৃতীয় হয়ে রাজ্যপালের কাছ থেকে স্বর্ণপদক পেয়েছিলেন। কানপুরের গুজাইনি এলাকার ভাড়া বাড়ি থেকে আনন্দ কুমার নামে ওই যুবকের দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনাস্থলে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেখানে লেখা- ‘সরি বাবা। ৫০ বার সরকারি চাকরি পাওয়ার চেষ্টা করেছি। কিন্তু সফল হতে পারিনি। আমায় ক্ষমা করো।’
গত শুক্রবার বাড়িতে গিয়ে কারও সাড়াশব্দ না পেয়ে গৃহ পরিচারিকা স্থানীয় গোবিন্দনগর থানায় খবর দেন। পুলিশ দরজা ভেঙে আনন্দের দেহ উদ্ধার করে।
ঘটনার দিন বাড়িতে ছিলেন না আনন্দের বাবা ও ঠাকুরদা। আনন্দের দিদির বিয়ে ঠিক করতে বিহার গিয়েছিলেন তাঁরা। ২০২৪ সালে কানপুরের একটি কলেজ থেকে ইলেক্ট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিটেক ডিগ্রি অর্জন করেন আনন্দ। এরপর বেসরকারি ক্ষেত্রে চাকরি পেয়ে যান তিনি। পাশাপাশি চলছিল সরকারি চাকরির প্রস্তুতি। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, সরকারি চাকরি না পাওয়ায় অবসাদে ভুগছিলেন আনন্দ। তার জেরেই এই ঘটনা। ইতিমধ্যে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।