দুবাই: অনায়াসে জিতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে অভিযান শুরু করল ভারত। বৃহস্পতিবার গ্রুপ এ’র ম্যাচে ২১ বল বাকি থাকতে বাংলাদেশকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। রবিবার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মহারণের আগে যা নিশ্চিতভাবে আত্মবিশ্বাস বাড়াল। শুভমান গিলের টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি, মহম্মদ সামির পাঁচ উইকেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিল এই জয়ে। তবে বড় রানের সুযোগ হারালেন রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, শ্রেয়স আয়াররা।
Advertisement
মারমার-কাটকাট ভঙ্গিতে অবশ্য এই জয় আসেনি। হেলায় উড়িয়েও দেওয়া যায়নি নাজমুল হোসেন শান্তদের। ক্রমশ মন্থর হতে চলা পিচই ভিলেন। বড় শট নেওয়া কঠিন হয়ে ওঠায় দেখনদারিত্ব ছেঁটে ফেলে খুঁটে খুঁটে রানেই জোর দিলেন নায়ক গিল। সেখানেই এই ইনিংসের মাহাত্ম্য। কিছুদিন আগে মোতেরায় ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধেও সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন তিনি। ভারতের সহ-অধিনায়কের এদিনের শতরান এল ১২৫ বলে। ২০১৯ বিশ্বকাপ থেকে ধরলে যা কোনও ভারতীয়ের মন্থরতম। তবে কন্ডিশনের বিচারে তা অমূল্য। কেন আইসিসি ওডিআই র্যাঙ্কিংয়ে একনম্বর, তা ফের বোঝালেন ২৫ বছর বয়সি। ১২৯ বলে গিলের অপরাজিত ১০১ রানের ইনিংস সাজানো ৯টি চার ও ২টি ছক্কায়।
২২৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা যদিও হয়েছিল ঝড়ের গতিতে। দশ ওভারের মধ্যে ওঠে ৬৯। প্রাথমিক জড়তা কাটিয়ে রোহিতকে দেখাচ্ছিল পুরনো মেজাজে। তবে পঞ্চাশের আগেই ফেরেন তিনি। কোহলি মন্দ খেলছিলেন না। কিন্তু আরও একবার লেগস্পিনারের শিকার হলেন তিনি। শ্রেয়স, অক্ষরও তুলে মারতে গিয়ে বিসর্জন দিলেন উইকেট। ছয়ে নামা লোকেশ রাহুল অবশ্য পরিচয় দিলেন দায়বদ্ধতার। তবে সহজ ক্যাচ পড়লও তাঁর। ১১২ থেকে ১৪৪, ৩২ রানের ব্যবধানে কোহলি, শ্রেয়স ও অক্ষর ফেরায় কিছুটা চাপে পড়ে গিয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। সেখান থেকে পঞ্চম উইকেটে গিল-রাহুলের অবিচ্ছিন্ন ৮৭ রানের জুটিই জয়ের স্টেশনে পৌঁছে দিল মেন ইন ব্লু’কে।
ভারতকে অবশ্য দুশো প্লাস রান তাড়াই করতে হতো না। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৩৫ রানে পাঁচ উইকেট পড়ে গিয়েছিল বাংলাদেশের। পরপর দু’বলে তানজিদ হাসান ও মুশফিকুর রহিমকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়ে তুলেছিলেন অক্ষর প্যাটেল। হ্যাটট্রিক হয়েও যেত। স্লিপে সহজ খোঁচা তুলেছিলেন জাকের আলি। স্কুলপড়ুয়া ক্রিকেট শিক্ষার্থীও যে ক্যাচ দশবারে প্রতিবার তালুবন্দি করবেন, সেটাই কীভাবে যেন ফেলে দিলেন রোহিত। হ্যাটট্রিকের জন্য লাফিয়ে উঠেও অক্ষরের সঙ্গী হল হতাশা। ঘাসে চাপড় মেরে রাগ প্রকাশের পর দু’হাত জড়ো করে বোলারের কাছে ক্ষমা চাইলেন রোহিত। কিন্তু তা নিছক সান্ত্বনাই। অক্ষরের ফসকে যাওয়া হ্যাটট্রিক তাতে যেমন ফিরল না, তেমনই বাংলাদেশ ইনিংসও পেল অক্সিজেন।
পদ্মাপাড়ের দলের পক্ষে তখন একশোর গণ্ডি টপকানোও মুশকিল মনে হচ্ছিল। কিন্তু জাকেরকে সঙ্গে নিয়ে তৌহিদ হৃদয় ষষ্ঠ উইকেটে যোগ করলেন ১৫৪। অবশ্য ভারতীয় ফিল্ডিংও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল। কুলদীপ যাদবের বলে মিড অফে দাঁড়ানো হার্দিক পান্ডিয়া ফেলেন তৌহিদের ক্যাচ। তিনি তখন ২৩। কিপার লোকেশ রাহুলও মিস করেন সহজ স্টাম্পিং। এই পর্বে ভারতীয় ফিল্ডাররাও উপহার দেন বেশ কিছু রান। সুযোগ কাজে লাগাতে ভুল করেননি তৌহিদ। লড়াকু ইনিংসে দলকে দুশোর ওপারে পৌঁছে দিলেন তিনি। জীবনের প্রথম ওডিআই সেঞ্চুরিও পূর্ণ করলেন ২৪ বছর বয়সি। ১১৮ বলে তৌহিদের ১০০ রানে ছয়টি বাউন্ডারি ও দুটো ছক্কা। জাকের (৬৮) থাকলেন সঙ্গতে।২২৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা যদিও হয়েছিল ঝড়ের গতিতে। দশ ওভারের মধ্যে ওঠে ৬৯। প্রাথমিক জড়তা কাটিয়ে রোহিতকে দেখাচ্ছিল পুরনো মেজাজে। তবে পঞ্চাশের আগেই ফেরেন তিনি। কোহলি মন্দ খেলছিলেন না। কিন্তু আরও একবার লেগস্পিনারের শিকার হলেন তিনি। শ্রেয়স, অক্ষরও তুলে মারতে গিয়ে বিসর্জন দিলেন উইকেট। ছয়ে নামা লোকেশ রাহুল অবশ্য পরিচয় দিলেন দায়বদ্ধতার। তবে সহজ ক্যাচ পড়লও তাঁর। ১১২ থেকে ১৪৪, ৩২ রানের ব্যবধানে কোহলি, শ্রেয়স ও অক্ষর ফেরায় কিছুটা চাপে পড়ে গিয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। সেখান থেকে পঞ্চম উইকেটে গিল-রাহুলের অবিচ্ছিন্ন ৮৭ রানের জুটিই জয়ের স্টেশনে পৌঁছে দিল মেন ইন ব্লু’কে।
ভারতকে অবশ্য দুশো প্লাস রান তাড়াই করতে হতো না। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৩৫ রানে পাঁচ উইকেট পড়ে গিয়েছিল বাংলাদেশের। পরপর দু’বলে তানজিদ হাসান ও মুশফিকুর রহিমকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়ে তুলেছিলেন অক্ষর প্যাটেল। হ্যাটট্রিক হয়েও যেত। স্লিপে সহজ খোঁচা তুলেছিলেন জাকের আলি। স্কুলপড়ুয়া ক্রিকেট শিক্ষার্থীও যে ক্যাচ দশবারে প্রতিবার তালুবন্দি করবেন, সেটাই কীভাবে যেন ফেলে দিলেন রোহিত। হ্যাটট্রিকের জন্য লাফিয়ে উঠেও অক্ষরের সঙ্গী হল হতাশা। ঘাসে চাপড় মেরে রাগ প্রকাশের পর দু’হাত জড়ো করে বোলারের কাছে ক্ষমা চাইলেন রোহিত। কিন্তু তা নিছক সান্ত্বনাই। অক্ষরের ফসকে যাওয়া হ্যাটট্রিক তাতে যেমন ফিরল না, তেমনই বাংলাদেশ ইনিংসও পেল অক্সিজেন।
দ্বিতীয় স্পেলে এসে তাঁকে ফিরিয়েই অবশ্য সামি ম্যাচে ফেরান ভারতকে। প্রথম স্পেলেও নিয়েছিলেন দু’উইকেট। ডেথ ওভারে এল আরও দু’উইকেট। ৫৩ রানে পাঁচ উইকেট, সামিকে পুরনো মেজাজেই দেখাল। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, যশপ্রীত বুমরাহর অভাব টের পেতে দিলেন না তিনি। অর্শদীপ সিংকে ড্রেসিং-রুমে রেখে হর্ষিত রানাকে খেলানোর সিদ্ধান্তও সফল। ৩১ রানে তিন উইকেট নিলেন তরুণ তুর্কি। কুলদীপ-জাদেজা যদিও উইকেট পাননি।



