অ্যাডিলেড: ভারতের কাছে প্রথম টেস্ট হেরে প্রবল চাপে অস্ট্রেলিয়া। সামনে এবার গোলাপি বলের টেস্ট। অ্যাডিলেডে ম্যাচ শুরু ৬ ডিসেম্বর। দুই শিবিরেই প্রস্তুতি তুঙ্গে। গোলাপি বলে টেস্টে প্রতি পদক্ষেপে থাকে চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে গোধূলিতে বেশি বিপাকে পড়েন ব্যাটসম্যানরা। সেকথা মানছেন স্টিভ স্মিথ। অস্ট্রেলিয়ার তারকা ব্যাটসম্যানের কথায়, ‘গোলাপি বলে টেস্টে অনেকগুলি সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। কিছুটা সময় দিনের আলোতে খেলতে হয়। আবার মানিয়ে নিতে হয় ফ্লাডলাইটেও। তাই প্রতি মুহূর্তই অনিশ্চয়তায় ভরা। সেই কারণে প্রস্তুতিতে কোনও খামতি রাখা চলবে না।’
Advertisement
তবে গোলাপি বলের টেস্টে স্টিভ স্মিথের রেকর্ড খুবই ভালো। এখনও পর্যন্ত তিনি ১১টি ম্যাচে করেছেন ৭৬০ রান। গড় ৪০-এর উপর। একটি সেঞ্চুরির পাশপাশি পাঁচটি হাফ-সেঞ্চুরিও রয়েছে তাঁর নামের পাশে। অ্যাডিলেডেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালে ১৩০ রান হাঁকিয়েছিলেন স্মিথ। দ্বিতীয় ইনিংসেও ঝলসে উঠেছিল অজি তারকার ব্যাট। ম্যাচটি সহজেই জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া। তবে অজিদের মধ্যে গোলাপি বলের টেস্টে সফলতম মার্নাস লাবুশানে। ৬৩.৮৫ গড়ে তিনি দিনরাতের টেস্টে করেছেন ৮৯৪। তবে এই দুই তারকা চলতি বর্ডার-গাভাসকর ট্রফিতে একেবারেই ছন্দে নেই। স্মিথ পারথ টেস্টে করেছিলেন সর্বসাকুল্যে ১৭। প্রথম ইনিংসে ফিরেছিলেন শূন্য হাতে। অফ ফর্মে লাবুশানেও। প্রথম টেস্টে তাঁর সংগ্রহ মাত্র পাঁচ। তবুও ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজে সমতা ফেরানোর লড়াইয়ে অ্যাডিলেড টেস্টে এই দুই ব্যাটসম্যানের উপর বাড়তি ভরসা অজি টিম ম্যানেজমেন্টের। তার একটাই কারণ, গোলাপি বলে টেস্ট খেলার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা। তবে স্মিথ ও লাবুশানের মাথার উপর খাঁড়া ঝুলছে। দ্বিতীয় টেস্টে ব্যর্থ হলে প্রথম একাদশ থেকে তাঁরা বাদও পড়তে পারেন।



