নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদদাতা: ‘গুলেন বারি সিনড্রোম’ বা জিবিএসে আক্রান্ত আরও দুই রোগীর মৃত্যুর খবর সামনে এল। ফলে রাজ্যে এবার এই উপসর্গে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল তিন। সোমবার মৃত্যু হয়েছিল আমডাঙার এক কিশোরের। বুধবার মারা গেলেন ধনেখালির ভবানীপুর গ্ৰামের বাসিন্দা সতীনাথ লোহার (৪৮)। এছাড়াও ভাটপাড়া এলাকায় এক নাবালকেরও মৃত্যুর খবর জানা গিয়েছে।
Advertisement
বুধবার সকালে ধনেখালি থেকে কলকাতায় চিকিৎসা করাতে নিয়ে আসার পথে অবস্থার অবনতি হলে সতীনাথ লোহারকে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসক শুভ্র ভট্টাচার্যের আশঙ্কা, ওই ব্যক্তি গুলেন বারি সিনড্রোমে আক্রান্ত। শেষমেশ কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হয় রোগীর।
ভাটপাড়ায় মৃত নাবালকের নাম দেবকুমার সাউ (১০)। মৃতের বাবা রাজেশ সাউ জানান, ছেলের নাক দিয়ে অনবরত জল পড়ছিল। ওকে কলকাতার বি সি রায় শিশু হাসপাতালে ১৭ জানুয়ারি ভর্তি করেছিলাম। ২৬ জানুয়ারি ছেলে মারা যায়।
সোমবার এনআরএস মেডিক্যাল কলেজে মৃত্যু হয় আমডাঙার বাসিন্দা ১৮ বছরের অরিত্র মণ্ডলের। দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যুতে হাসপাতালের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে পরিবার। মৃতের মা মালবিকাদেবী বুধবার বলেন, চিকিৎসা ঠিকমতো হয়নি বলেই ছেলের মৃত্যু হয়েছে। আমরা এ নিয়ে তদন্ত চাই। জেলার স্বাস্থ্যদপ্তরে আমরা মৌখিক অভিযোগ জানিয়েছি। লিখিত আকারেও জানাব।
এছাড়াও শহরের একটি বেসরকারি শিশু হাসপাতালে তিনজন শিশু এই অসুখে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি রয়েছে। যদিও তাদের নিয়ে অহেতুক উদ্বেগের কারণ নেই বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডাঃ জয়দেব রায়। তিনি বলেন, সারা বছরই এই বিরল রোগে আক্রান্ত হয়ে কিছু শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়। স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম বলেন, জিবিএসের অস্বাভাবিক বাড়বাড়ন্ত এখনও বিশেষজ্ঞদের চোখে পড়েনি। বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের সঙ্গে এই নিয়ে বৈঠক করা হয়েছে। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছি আমরা।
ভাটপাড়ায় মৃত নাবালকের নাম দেবকুমার সাউ (১০)। মৃতের বাবা রাজেশ সাউ জানান, ছেলের নাক দিয়ে অনবরত জল পড়ছিল। ওকে কলকাতার বি সি রায় শিশু হাসপাতালে ১৭ জানুয়ারি ভর্তি করেছিলাম। ২৬ জানুয়ারি ছেলে মারা যায়।
সোমবার এনআরএস মেডিক্যাল কলেজে মৃত্যু হয় আমডাঙার বাসিন্দা ১৮ বছরের অরিত্র মণ্ডলের। দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যুতে হাসপাতালের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে পরিবার। মৃতের মা মালবিকাদেবী বুধবার বলেন, চিকিৎসা ঠিকমতো হয়নি বলেই ছেলের মৃত্যু হয়েছে। আমরা এ নিয়ে তদন্ত চাই। জেলার স্বাস্থ্যদপ্তরে আমরা মৌখিক অভিযোগ জানিয়েছি। লিখিত আকারেও জানাব।
এছাড়াও শহরের একটি বেসরকারি শিশু হাসপাতালে তিনজন শিশু এই অসুখে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি রয়েছে। যদিও তাদের নিয়ে অহেতুক উদ্বেগের কারণ নেই বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডাঃ জয়দেব রায়। তিনি বলেন, সারা বছরই এই বিরল রোগে আক্রান্ত হয়ে কিছু শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়। স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম বলেন, জিবিএসের অস্বাভাবিক বাড়বাড়ন্ত এখনও বিশেষজ্ঞদের চোখে পড়েনি। বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের সঙ্গে এই নিয়ে বৈঠক করা হয়েছে। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছি আমরা।



