নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পরকীয়া বিবাদে কেএলসি থানা এলাকায় জাহির পুরকায়েতকে গুলি চালিয়ে উধাও হয়ে যাওয়া ইনজামাম-উল পৈলান ওরফে অপুকে মালদহের কালিয়াচকের গয়েশবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করল কলকাতা পুলিস। কলকাতা পুলিসের ইস্ট ডিভিশন ডিসি অরীশ বিলাল এই খবর জানিয়েছেন। তবে যে আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গুলি চালানো হয়েছে তা এখনও উদ্ধার হয়নি।
Advertisement
কলকাতা পুলিসের এক সূত্র জানাচ্ছে, কালিয়াচকের গয়েশবাড়িতে দূর সর্ম্পকের এক আত্মীয়ের বাড়ি রয়েছে ইনজামামের। ঘটনার পর কলকাতা থেকে পালিয়ে ওই আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিল সে। এদিকে উধাও ইনজামামকে হন্যে হয়ে খুঁজছিল কলকাতা পুলিস। এমনকী গোপনে তার এবং পরিবারের সদস্যদের উপর নজরদারি চলানো হচ্ছিল। মূলত, মোবাইলের সূত্র ধরেই কালিয়াচকে তার হদিস পায় কলকাতা পুলিস।
ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিস জানতে পেরেছে, গুলিবিদ্ধ জাহিরের স্ত্রী’র প্রতি দুর্বলতা ছিল ইনজামামের। তাঁকে বিয়ে করতে চেয়েছিল সে। কিন্তু জাহিরের সঙ্গে মহিলার বিয়ে হয়। যা নিয়ে উভয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ঠান্ডা লড়াই চলছিল। গোয়েন্দাদের দাবি, এই আক্রোশের জেরেই পথের কাঁটা জাহিরকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিতে ভাটিপোতায় তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় ইনজামামুল পৈলান। কিন্তু বরাত জোরে পিঠে গুলি লাগায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন জাহির। ধৃত ইনজামাম-উল পৈলানকে বুধবার বারুইপুর আদালতে তোলা হলে ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পুলিস হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিস জানতে পেরেছে, গুলিবিদ্ধ জাহিরের স্ত্রী’র প্রতি দুর্বলতা ছিল ইনজামামের। তাঁকে বিয়ে করতে চেয়েছিল সে। কিন্তু জাহিরের সঙ্গে মহিলার বিয়ে হয়। যা নিয়ে উভয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ঠান্ডা লড়াই চলছিল। গোয়েন্দাদের দাবি, এই আক্রোশের জেরেই পথের কাঁটা জাহিরকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিতে ভাটিপোতায় তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় ইনজামামুল পৈলান। কিন্তু বরাত জোরে পিঠে গুলি লাগায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন জাহির। ধৃত ইনজামাম-উল পৈলানকে বুধবার বারুইপুর আদালতে তোলা হলে ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পুলিস হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।



