নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গাঁজা পাচারের দায়ে দোষী সাব্যস্ত তিন যুবক। তাদের ১৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ শোনাল আদালত। সোমবার কলকাতার বিচারভবনের বিশেষ আদালতের বিচারক রোহন সিনহা এই সাজার সঙ্গে প্রত্যেককে পৌঁনে ২ লক্ষ টাকা করে জরিমানা করেন। অনাদায়ে অতিরিক্ত এক বছরের হাজতবাসের নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি গাড়ির নম্বর প্লেট জাল করা ছাড়াও অন্যান্য অপরাধে তিনজনের পৃথক পৃথক সাজা হয়। আদালতের মন্তব্য, সব সাজাই একসঙ্গে চলবে।
Advertisement
২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারির ঘটনা। কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের ভুয়ো প্রতীক লাগানো নীলবাতির গাড়িতে করে নিয়ে আসা হচ্ছিল প্রায় ৩৫৩ কিলোগ্রাম গাঁজা। ঝাড়খণ্ড থেকে আসা ওই গাড়িটি ধরা পড়ে তারাতলায়। কলকাতা পুলিসের এসটিএফ গাড়িটি আটক করে। গাড়িতে যে নম্বর প্লেট লাগানো ছিল, তা ভুয়ো। গ্রেপ্তার হয় তিন মাদক পাচারকারী। ধৃতদের নাম রূপদেও লোহার, সুরেশ সোনি ও মহাদেব ওরাঁও। তারা সকলেই ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা।
সরকারি কৌঁসুলি টুলটুল দে বলেন, ‘নিষিদ্ধ মাদক কারবারের সঙ্গে যারা যুক্ত, তারা সমাজের শক্র। এই অপরাধীদের কড়া সাজা দেওয়া উচিত।’ বিচারক আসামিদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য‑প্রমাণে সমস্ত অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। তাই আদালত দোষী সাব্যস্ত করে এই সাজা ঘোষণা করল।’ কলকাতা নগর দায়রা আদালতের মুখ্য সরকারি কৌঁসুলি দীপঙ্কর কুণ্ডু এদিন বলেন, ‘তিন অপরাধী কলকাতায় ওই গাঁজা পাচারের মতলবে ছিল। কলকাতা পুলিসের এসটিএফ আগেই সেই খবর পেয়ে যায় এবং জাল বিছিয়ে অভিযুক্তদের ধরে ফেলে। উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ গাঁজা।’
সরকারি কৌঁসুলি টুলটুল দে বলেন, ‘নিষিদ্ধ মাদক কারবারের সঙ্গে যারা যুক্ত, তারা সমাজের শক্র। এই অপরাধীদের কড়া সাজা দেওয়া উচিত।’ বিচারক আসামিদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য‑প্রমাণে সমস্ত অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। তাই আদালত দোষী সাব্যস্ত করে এই সাজা ঘোষণা করল।’ কলকাতা নগর দায়রা আদালতের মুখ্য সরকারি কৌঁসুলি দীপঙ্কর কুণ্ডু এদিন বলেন, ‘তিন অপরাধী কলকাতায় ওই গাঁজা পাচারের মতলবে ছিল। কলকাতা পুলিসের এসটিএফ আগেই সেই খবর পেয়ে যায় এবং জাল বিছিয়ে অভিযুক্তদের ধরে ফেলে। উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ গাঁজা।’



