সংবাদদাতা, তেহট্ট: কিছুদিন আগেই যাত্রীবাহী বাসে গাঁজা উদ্ধার করেছিল পুলিস। অ্যাম্বুলেন্স ও পণ্যবাহী গাড়ি থেকেও বহরমপুর-কৃষ্ণনগর ভায়া জলঙ্গি-করিমপুর রাজ্য সড়কে গাঁজা উদ্ধারের খবর উদ্বেগ বাড়িয়েছে পুলিসের। জাতীয় সরকারের নজরদারি এড়াতে উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গে গাঁজা পৌঁছতে অন্যতম করিডর হয়ে উঠছে এই রাজ্য সড়ক। পাচারের নিত্যনতুন কৌশলের মোকাবিলায় জেলাজুড়ে বিশেষত কৃষ্ণনগর পুলিস জেলার তেহট্ট ও করিমপুর শহর লাগোয়া এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিস।
Advertisement
পুলিস সূত্রে খবর, সম্প্রতি কৃষ্ণনগর-করিমপুর রাজ্য সড়ক হয়ে তেহট্ট এলাকা দিয়ে গাঁজা পাচারের একের পর এক অভিযোগ পুলিসের কাছে এসেছে। জাতীয় সড়কের রাজ্য পুলিস ও এসটিএফের কড়া নজরদারি এড়াতে আপাত গ্রামীণ এলাকার মধ্য দিয়ে নজরদারিহীন রাজ্য সড়ক ধরে বিনা প্রতিবন্ধকতায় গাঁজা পাচারের সুযোগ নিচ্ছে পাচারকারীরা। স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে সফল হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পাচারের পরে পুলিসের কাছে তথ্য পৌঁছছে বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, গত দেড় বছরের মধ্যে কৃষ্ণনগর-করিমপুর রাজ্য সড়ক এলাকা গাঁজা পাচারের অন্যতম করিডর হয়ে পড়েছে।
পুলিস সূত্রের খবর, একসময়ে বহরমপুর থেকে সরাসরি জাতীয় সড়ক ধরে কৃষ্ণনগর ও নবদ্বীপ হয়ে দক্ষিণবঙ্গে গাঁজা পৌঁছে যেত। জাতীয় সড়কে একের পর এক অভিযানের পরে পাচারকারীরা নিজেদের রুট বদল করে জলঙ্গি করিমপুর তেহট্ট রোড ব্যবহার করতে শুরু করেছে বলে অভিযোগ। পুলিসের দাবি, মূলত উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গে পৌঁছতে পাচারকারীরা এই রুট বেছে নিচ্ছে।
জেলা পুলিসের এক কর্তার কথায়, এত ভালোভাবে প্যাকেট করা থাকে যে, ভিতরে কী রয়েছে তা বাইরে থেকে আন্দাজ করা সম্ভব নয়। সেই সুযোগেই কখনও মোবাইলের ব্যাটারি, কখনও আবার চোরাই ইমিটেশনের গয়না বলে জানানো হয়। যারা প্যাকেটগুলি পৌঁছে দেয়, তারা হয়তো জানতেও পারে না, ভিতরে আসলে কী রয়েছে।
নিত্যনতুন কৌশল অভিনব কায়দা ও নয়া রুটে গাঁজা পাচারে উৎসাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন করে চিন্তা বেড়েছে গ্রামীণ এলাকার থানা গুলিতে। এই বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিস সুপার গ্রামীণ উত্তমকুমার ঘোষ বলেন, আমরা মাদক পাচার আটকাতে বদ্ধ পরিকর। সেই কারণে সন্দেহমূলক কিছু দেখলেই তল্লাশি করছি। এই রুটে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
পুলিস সূত্রের খবর, একসময়ে বহরমপুর থেকে সরাসরি জাতীয় সড়ক ধরে কৃষ্ণনগর ও নবদ্বীপ হয়ে দক্ষিণবঙ্গে গাঁজা পৌঁছে যেত। জাতীয় সড়কে একের পর এক অভিযানের পরে পাচারকারীরা নিজেদের রুট বদল করে জলঙ্গি করিমপুর তেহট্ট রোড ব্যবহার করতে শুরু করেছে বলে অভিযোগ। পুলিসের দাবি, মূলত উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গে পৌঁছতে পাচারকারীরা এই রুট বেছে নিচ্ছে।
জেলা পুলিসের এক কর্তার কথায়, এত ভালোভাবে প্যাকেট করা থাকে যে, ভিতরে কী রয়েছে তা বাইরে থেকে আন্দাজ করা সম্ভব নয়। সেই সুযোগেই কখনও মোবাইলের ব্যাটারি, কখনও আবার চোরাই ইমিটেশনের গয়না বলে জানানো হয়। যারা প্যাকেটগুলি পৌঁছে দেয়, তারা হয়তো জানতেও পারে না, ভিতরে আসলে কী রয়েছে।
নিত্যনতুন কৌশল অভিনব কায়দা ও নয়া রুটে গাঁজা পাচারে উৎসাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন করে চিন্তা বেড়েছে গ্রামীণ এলাকার থানা গুলিতে। এই বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিস সুপার গ্রামীণ উত্তমকুমার ঘোষ বলেন, আমরা মাদক পাচার আটকাতে বদ্ধ পরিকর। সেই কারণে সন্দেহমূলক কিছু দেখলেই তল্লাশি করছি। এই রুটে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।



