নিউ জার্সি: ব্রাজিলের বিরুদ্ধে জোড়া গোলে ফুটবলমহলের চর্চায় এখন আর্লিং হালান্ড। নরওয়ের স্ট্রাইকারের চলতি আসরে হয়ে গিয়েছে ৭ গোল। গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে থাকা ‘নাম্বার নাইন’এর বান্ধবী, ইসাবেল হাউজসেং জোহানসেনও কিন্তু ফুটবলার। দু’জনের বাড়িই নরওয়ের দক্ষিণ-পশ্চিমের ছোট্ট শহর ব্রাইনেতে। বেড়ে ওঠার দিনগুলোয় দু’জনেই খেলতেন ব্রাইনে এফকে’র হয়ে। দুই টিনএজারের প্রথম পরিচয় সেখানেই। কিন্তু ডেটিং শুরু হয় অনেক পরে।
সেটা ২০২১। হালান্ড তখন জার্মানিতে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের হয়ে খেলছেন। বিদেশেই থাকেন। বেশ নামডাকও হয়েছে। এমন সময়েই ইসাবেল মেসেজ করলেন তাঁকে। একই শহরের একই ক্লাবে খেলার সূত্রে পরিচয় ছিলই। সেটাই এবার পরিণত হল প্রেমে। একসঙ্গে থাকার সেই শুরু। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে পুত্রসন্তানের মা হলেন ইসাবেল। বাবা হওয়া পালটে দিয়েছে হালান্ডের জীবন। তাঁর কথায়, ‘এত খুশি জীবনে হইনি। সত্যি বলতে কী, দারুণ আনন্দ পাই ওর সঙ্গে সময় কাটাতে। বাড়ি ফিরে ফুটবলকে একেবারে ভুলে থাকি।’
বাবা-মা দু’জনেই ফুটবলার। হালান্ডের সন্তান বড় হয়ে ফুটবল নিয়ে মেতে উঠবে কিনা তা সয়েই বলবে। তবে চলতি বিশ্বকাপে তিনি নিজে হয়ে উঠেছেন নরওয়ের চোখের মণি। প্রচারের আলোয় থাকলেও ইপিএলে ম্যাঞ্চেস্টার সিটির স্ট্রাইকার যদিও পারিবারিক জীবনকে এতদিন আড়ালেই রেখেছিলেন। তবে বিশ্বকাপে নরওয়ের প্রতিটি ম্যাচেই স্টেডিয়ামে পিঠে হালান্ডের নাম লেখা জার্সি পরে হাজির থাকছেন স্ত্রী। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবি রীতিমতো ভাইরাল। স্বয়ং হালান্ডও কমেন্ট করেছেন তাতে। ফলে সযত্নে লুকানো পারিবারিক জীবন এবার প্রকাশ্যে।