সংবাদদাতা, ঘাটাল: দুর্গাপুজো নয়, ঘাটাল ব্লকের রঘুনাথপুর ও তার আশপাশের গ্রামের মানুষ সর্বজনীন সরস্বতীপুজো ও পঞ্চমী মেলার জন্য সারাবছর প্রতীক্ষায় থাকেন। সরস্বতীপুজোর দিন থেকে টানা সাতদিন রঘুনাথপুর ও আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ যে উৎসবে মেতে ওঠেন, তা দুর্গোৎসবকে হার মানায়। পুজোর কলেবর, প্রতিমা, মণ্ডপ, আলোকসজ্জা মহকুমার বহু এলাকায় দুর্গাপুজোর আয়োজনকে ছাপিয়ে যায়।
Advertisement
১৯৭৩সালে ক্লাবের জন্মলগ্ন থেকেই রঘুনাথপুর তরুণ সঙ্ঘ সরস্বতী পুজোর আয়োজন করে আসছে। তবে আগে পুজোকে ঘিরে এত আড়ম্বর ছিল না। ক্লাবের সম্পাদক ক্ষুদিরাম হান্দল বলেন, আমাদের গ্রাম প্রত্যন্ত এলাকায়। এখানে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বিনোদনের কোনও জায়গা ছিল না। সেজন্য আমরা ২০০৭সাল থেকে পুজোর সঙ্গে মেলা, সাংস্কৃতিক উৎসব, ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছি। ধীরে ধীরে পুজোর জৌলুস বেড়েছে।
এবার ১৭তম বর্ষে ১৮ ফুট সরস্বতী প্রতিমা তৈরি হয়েছে। মণ্ডপের থিম করা হয়েয়েছে ‘কেদারনাথ’। রবিবার পুজোর সূচনার দিনে ট্যাবলো ও বাইক নিয়ে প্রভাতফেরি হয়। তারপর রাধানগর থেকে মেলা প্রাঙ্গণ পর্যন্ত আট কিলোমিটার ম্যারাথন দৌড় আয়োজিত হয়। বাউল গান, কাঠিনাচ, ছৌ নৃত্য ও ঝুমুর নাচ পরিবেশিত হয়। বিকেলে পুজো কমিটির তরফে ‘দিশারী’ পত্রিকা প্রকাশিত হয়। সন্ধ্যায় পুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মৎস্যমন্ত্রী বিপ্লব রায়চৌধুরী, বিধায়ক মমতা ভুঁইয়া, জেলা পরিষদের সদস্য শঙ্কর দলুই, ঘাটাল পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি বিকাশ কর, স্থানীয় তিন জনপ্রতিনিধি মন্টু বাইরি, খুকুমণি পাখিরা ও প্রশান্ত বাইরি সহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ক্লাবের সহ-সভাপতি দেবাশিস মণ্ডল ও কোষাধ্যক্ষ আশিস ঘোষ বলেন, মেলার সাতদিনে বিভিন্ন সময়ে ছবি আঁকা, আলপনা, ছেলেদের ফুটবল, মেয়েদের ফুটবল, ক্রিকেট, সঙ্গীত, আবৃত্তি, প্রবন্ধ লেখা, চিঠি লেখা-প্রভৃতি প্রতিযোগিতা আয়োজিত হয়েছে। রক্তদান ও স্বাস্থ্যপরীক্ষা, গ্লোবাল ওয়ার্মিং, বাল্যবিবাহ ও স্কুলছুট প্রতিরোধ নিয়ে আলোচনা সভা, মেধাবী পড়ুয়াদের বই দেওয়া, দুঃস্থদের শীতবস্ত্র বিলি প্রভৃতি বহু কর্মসূচি এবারও নেওয়া হয়েছে।
এই ক্লাব প্রায় ৫০বছর ধরে এলাকায় সমাজসেবামূলক কাজ করে আসছে। বছরে দু’বার রুটিন করে রক্তদান শিবির আয়োজন করা হয়। এছাড়া, স্বাস্থ্যশিবির, দুঃস্থ পরিবারের কন্যা সন্তানদের বিয়ের আয়োজনে সহযোগিতা করা, পড়ুয়াদের শিক্ষাসামগ্রী কিনে দেওয়ার কাজ তারা করে আসছে। করোনার সময় এই ক্লাব তিনটি অক্সিজেন সিলিন্ডার কিনে বিনামূল্যে এলাকার বাসিন্দাদের পরিষেবা দিয়েছিল। সুব্রতবাবু বলেন, এখনও সেই তিনটি সিলিন্ডার রয়েছে। কারও প্রয়োজন হলে আমরা এখনও বিনামূল্যে অক্সিজেন সিলিন্ডার দিই।-নিজস্ব চিত্র
এবার ১৭তম বর্ষে ১৮ ফুট সরস্বতী প্রতিমা তৈরি হয়েছে। মণ্ডপের থিম করা হয়েয়েছে ‘কেদারনাথ’। রবিবার পুজোর সূচনার দিনে ট্যাবলো ও বাইক নিয়ে প্রভাতফেরি হয়। তারপর রাধানগর থেকে মেলা প্রাঙ্গণ পর্যন্ত আট কিলোমিটার ম্যারাথন দৌড় আয়োজিত হয়। বাউল গান, কাঠিনাচ, ছৌ নৃত্য ও ঝুমুর নাচ পরিবেশিত হয়। বিকেলে পুজো কমিটির তরফে ‘দিশারী’ পত্রিকা প্রকাশিত হয়। সন্ধ্যায় পুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মৎস্যমন্ত্রী বিপ্লব রায়চৌধুরী, বিধায়ক মমতা ভুঁইয়া, জেলা পরিষদের সদস্য শঙ্কর দলুই, ঘাটাল পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি বিকাশ কর, স্থানীয় তিন জনপ্রতিনিধি মন্টু বাইরি, খুকুমণি পাখিরা ও প্রশান্ত বাইরি সহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ক্লাবের সহ-সভাপতি দেবাশিস মণ্ডল ও কোষাধ্যক্ষ আশিস ঘোষ বলেন, মেলার সাতদিনে বিভিন্ন সময়ে ছবি আঁকা, আলপনা, ছেলেদের ফুটবল, মেয়েদের ফুটবল, ক্রিকেট, সঙ্গীত, আবৃত্তি, প্রবন্ধ লেখা, চিঠি লেখা-প্রভৃতি প্রতিযোগিতা আয়োজিত হয়েছে। রক্তদান ও স্বাস্থ্যপরীক্ষা, গ্লোবাল ওয়ার্মিং, বাল্যবিবাহ ও স্কুলছুট প্রতিরোধ নিয়ে আলোচনা সভা, মেধাবী পড়ুয়াদের বই দেওয়া, দুঃস্থদের শীতবস্ত্র বিলি প্রভৃতি বহু কর্মসূচি এবারও নেওয়া হয়েছে।
এই ক্লাব প্রায় ৫০বছর ধরে এলাকায় সমাজসেবামূলক কাজ করে আসছে। বছরে দু’বার রুটিন করে রক্তদান শিবির আয়োজন করা হয়। এছাড়া, স্বাস্থ্যশিবির, দুঃস্থ পরিবারের কন্যা সন্তানদের বিয়ের আয়োজনে সহযোগিতা করা, পড়ুয়াদের শিক্ষাসামগ্রী কিনে দেওয়ার কাজ তারা করে আসছে। করোনার সময় এই ক্লাব তিনটি অক্সিজেন সিলিন্ডার কিনে বিনামূল্যে এলাকার বাসিন্দাদের পরিষেবা দিয়েছিল। সুব্রতবাবু বলেন, এখনও সেই তিনটি সিলিন্ডার রয়েছে। কারও প্রয়োজন হলে আমরা এখনও বিনামূল্যে অক্সিজেন সিলিন্ডার দিই।-নিজস্ব চিত্র



