সংবাদদাতা, বনগাঁ: ঘর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হল এক বধূর দেহ। এই ঘটনাটি ঘটেছে গোপালনগর থানার কামদেবপুর এলাকায়। তাঁকে উদ্ধার করে বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃতার নাম তাছলিমা মণ্ডল (৪৫)। মৃতার বাপের বাড়ির লোকেদের অভিযোগ, তাঁদের মেয়েকে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই মর্মে গোপালনগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন মৃতার ভাই। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। ঘটনার পর থেকে পলাতক অভিযুক্ত স্বামী। প্রায় ৩০ বছর আগে নদীয়ার গাংনাপুরের বাসিন্দা সুরাফউদ্দিন মণ্ডলের সঙ্গে কামদেবপুরের বাসিন্দা তাছলিমা মণ্ডলের বিয়ে হয়। তাঁদের তিন কন্যা সন্তান রয়েছে। মৃতার বাপের বাড়ির অভিযোগ, বিয়ের পর একাধিক মহিলার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন সুরাফউদ্দিন। এ নিয়ে পরিবারে অশান্তি লেগেই থাকত। অভিযোগ মাঝেমধ্যে স্ত্রীকে মারধর করতেন সুরাফউদ্দিন। সম্প্রতি স্বামীর অবৈধ সম্পর্ক নিয়ে প্রতিবাদ করেন তাছলিমা। অভিযোগ, তখন স্ত্রীকে ব্যাপক মারধর করেন সুরাফউদ্দিন। বুধবারও স্ত্রীকে মারধর করেন তিনি। এরপর বিকেলে মারধরের খবর পান বাপের বাড়ির লোকেরা। তাঁরা এসে দেখতে পান, ঘরে তালা বন্ধ। পাশেই চাবি পড়ে ছিল। তালা খুলে ঘরে ঢুকতেই তাছলিমাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তাঁরা।



