নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: দেহ কোথায়? ঘরে ঢুকে চমকে উঠেছিলেন দমকলকর্মীরা। আগুন যখন দাউ দাউ করে জ্বলছে, তখন তো ভিতরেই আটকে ছিলেন গৃহকর্তা! তাহলে দেহ গেল কোথায়? এমন প্রশ্ন যখন চিন্তা বাড়াচ্ছে, তখন উপর থেকে খসে পড়া ফলস সিলিংয়ের ছাই সরাতেই মিলল ‘দেহ’। মৃতদেহ না বলে যাকে বরং ‘কঙ্কাল’ বলা ভালো! কারণ, আগুনে হাড়গোড় ছাড়া সবই প্রায় পুড়ে গিয়েছে। মঙ্গলবার সারাদিন ওই এলাকা ছিল থমথমে। শোকস্তব্ধ পরিবার ও প্রতিবেশীরা। বাবার মৃত্যুর কারণে মঙ্গলবার পরীক্ষা দিতেও যায়নি সেই বাড়ির ৬ বছরের মেয়ে।
Advertisement
ই এম বাইপাস থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে সল্টলেকের ডি এ ব্লক। সোমবার রাতে মূল রাস্তার ধারে ডিএ-৪ ঠিকানার বাড়িতে আগুন লাগে। বাড়ির তিনতলায় আটকে গিয়ে দগ্ধ হয়ে যান গৃহকর্তা দেবর্ষি গঙ্গোপাধ্যায় (৪৭)। তিনি পেশায় রেলের একজন ঠিকাদার ছিলেন। স্থানীয়দের কথায়, আগুন লাগার পরই ফোন করা হয়েছিল দমকলকে। যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত ভালো হলেও দমকল প্রায় ৪০ মিনিট দেরিতে পৌঁছয় বলে অভিযোগ। কেন এই বিলম্ব? দমকলকর্মীরা প্রতিবেশীদের জানিয়েছেন, তাঁরা যে ফোনে আগুন লাগার খবর পেয়েছিলেন, সেখানে বলা হয়েছিল বিএ-৪। তাই প্রথমে দমকলের গাড়ি দ্রুততার সঙ্গে সেখানেই পৌঁছে যায়। পরে দু’টি দমকলের ইঞ্জিন পৌঁছয় ডিএ-৪ ঠিকানায়। দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু নিজে ঘটনাস্থলে গিয়ে তদারকি করেন।
পুলিস ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে তিনতলার ঘরে ছিলেন দেবর্ষিবাবু। দোতলায় ছিলেন তাঁর মা, স্ত্রী ও মেয়ে। রাতের খাবার খাওয়ার জন্য স্ত্রী স্বামীকে ডাকতে গিয়ে দেখেন, ঘরে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। চিৎকার শুনে ততক্ষণে প্রতিবেশীরাও বেরিয়ে এসেছেন। কিন্তু আগুনের তীব্রতা এতটাই ছিল যে দেবর্ষিবাবুকে উদ্ধার করতে পারা যায়নি। মা, স্ত্রী ও মেয়ে কোনওরকমে নীচে নেমে আসেন। দমকল আসার আগেই প্রতিবেশী এক চিকিৎসকের বাড়ি থেকে পাইপে করে কিছুটা জল দেওয়া হয়। পুলিসও সহযোগিতা করে। বাড়ির নীচের তলায় একটি টায়ারের দোকান রয়েছে। আগুন যাতে ছড়িয়ে না পড়ে, তার জন্য বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
কীভাবে লাগল আগুন? প্রাথমিক তদন্তে পুলিসের অনুমান, সিগারেট থেকে লেগে থাকতে পারে। মঙ্গলবার ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল থেকে একাধিক নমুনা সংগ্রহ করেছেন। দেবর্ষিবাবুর জামাই জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘কীভাবে আগুন লাগল, আমরাও বুঝতে পারছি না। ফরেন্সিক তদন্তের পর হয়তো জানা যাবে।’
মঙ্গলবার তোলা নিজস্ব চিত্র।
পুলিস ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে তিনতলার ঘরে ছিলেন দেবর্ষিবাবু। দোতলায় ছিলেন তাঁর মা, স্ত্রী ও মেয়ে। রাতের খাবার খাওয়ার জন্য স্ত্রী স্বামীকে ডাকতে গিয়ে দেখেন, ঘরে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। চিৎকার শুনে ততক্ষণে প্রতিবেশীরাও বেরিয়ে এসেছেন। কিন্তু আগুনের তীব্রতা এতটাই ছিল যে দেবর্ষিবাবুকে উদ্ধার করতে পারা যায়নি। মা, স্ত্রী ও মেয়ে কোনওরকমে নীচে নেমে আসেন। দমকল আসার আগেই প্রতিবেশী এক চিকিৎসকের বাড়ি থেকে পাইপে করে কিছুটা জল দেওয়া হয়। পুলিসও সহযোগিতা করে। বাড়ির নীচের তলায় একটি টায়ারের দোকান রয়েছে। আগুন যাতে ছড়িয়ে না পড়ে, তার জন্য বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
কীভাবে লাগল আগুন? প্রাথমিক তদন্তে পুলিসের অনুমান, সিগারেট থেকে লেগে থাকতে পারে। মঙ্গলবার ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল থেকে একাধিক নমুনা সংগ্রহ করেছেন। দেবর্ষিবাবুর জামাই জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘কীভাবে আগুন লাগল, আমরাও বুঝতে পারছি না। ফরেন্সিক তদন্তের পর হয়তো জানা যাবে।’
মঙ্গলবার তোলা নিজস্ব চিত্র।



