ব্রিসবেন: ফের প্রাচীর হয়ে দাঁড়ালেন ট্রাভিস হেড। অ্যাডিলেডে গোলাপি টেস্টের পর গাব্বাতেও ঝোড়ো সেঞ্চুরি হাঁকালেন বাঁ হাতি মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। সঙ্গতে স্টিভ স্মিথ। টেস্টে ২৫ ইনিংস পর তিন অঙ্কের রানে পৌঁছলেন তিনি। ট্রাভিস-স্টিভের যুগলবন্দিতে ৩০২ বলে ২৪৫ রান উঠল চতুর্থ উইকেটে। ৭৫ রানে তিন উইকেট পড়ার চাপ কাটিয়ে তাঁরাই তৃতীয় টেস্টে চালকের আসনে বসালেন অস্ট্রেলিয়াকে। যশপ্রীত বুমরাহর পাঁচ উইকেটের বিস্ফোরণ সত্ত্বেও দিনের শেষে হোমটিমের স্কোর ৪০৫। হাতে এখনও তিনটি উইকেট। সোমবার অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে দ্রুত যবনিকা নামালেও ভারতের ম্যাচে ফেরা সহজ নয়। তবে রোহিত শর্মাদের কাছে একটাই আশার বার্তা যে, বাকি তিন দিনই রয়েছে বৃষ্টির পূর্বাভাস।
Advertisement
শনিবার গাব্বা টেস্টের পয়লা দিনে খেলা হয়েছিল মাত্র ১৩.২ ওভার। এদিন আধঘণ্টা আগে শুরু হয় খেলা। প্রথম স্পেলেই নিজেকে উজাড় করে দেন বুমরাহ। দুই ওপেনার উসমান খাওয়াজা ও নাথান ম্যাকসুইনিকে ফেরান দুরন্ত ডেলিভারিতে। এরপর মার্নাস লাবুশানেকে আউট করেন নীতীশ রেড্ডি। ভারতীয় দল তখন রীতিমতো আক্রমণাত্মক মেজাজে। কিন্তু দ্বিতীয় সেশনে পাল্টে গেল পরিস্থিতি। ধরা পড়ল বুমরাহর যোগ্য সঙ্গীর অভাব। সিরাজ, নীতীশ, জাদেজাদের নির্বিষ বোলিংয়ের বিরুদ্ধে পিকনিকের আনন্দে রান তুলল অজিরা। হর্ষিত রানার পরিবর্তে এগারোয় আসা আকাশ দীপ কিছুটা কৃপণ থাকলেও কোনও উইকেটই পাননি। অথচ বুমরাহর চেয়েও বেশিবার তিনি ব্যাটসম্যানকে ভুল শট খেলতে বাধ্য করেন (৪৬)। কিন্তু আসেনি শিকার। ট্রাভিসকে শুরুতে বাউন্সার থিওরিতে পরীক্ষার মুখে না ফেলে সেট হওয়ার সুযোগ করে দেন সিরাজ-নীতীশরাই।
অ্যাডিলেডে ১৪০ রানের পর এদিনের ১৫২। উল্টোদিকে ভারতকে দেখলেই জ্বলে উঠছেন ট্রাভিস। ওভালে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে সেঞ্চুরি দিয়ে শুরু। বছরখানেক আগে মোতেরায় ওডিআই বিশ্বকাপের ফাইনালেও শতরান। এই সময়কালে সব ফরম্যাট মিলিয়ে টিম ইন্ডিয়াকে এভাবে আর কোনও ব্যাটার ভোগাননি। তাঁর ইনিংসে রইল ১৮টা বাউন্ডারি। স্মিথও সমালোচকদের জবাব দেওয়ার মঞ্চ পেয়ে গেলেন এদিন। ভারতের বিরুদ্ধে টেস্টে তাঁর শতরানের সংখ্যা আপাতত ১০। এই কীর্তিতে জো রুটকে (১০) স্পর্শ করলেন তিনি। টেস্টে সবমিলিয়ে তাঁর সেঞ্চুরির সংখ্যা এখন ৩৩। দ্বিতীয় নতুন বল নেওয়ার পর ‘বুমবুম স্পেশ্যাল’ অবশ্য কিছুটা লড়াইয়ে ফিরিয়েছে ভারতকে। পরপর আউট হন স্মিথ, মিচেল মার্শ ও হেড। চলতি সিরিজে তিন টেস্টে এটা তাঁর দ্বিতীয় ৫ উইকেট। সেই সুবাদে বুমরাহর শিকারসংখ্যা দাঁড়াল ১৭। ডনের দেশে সবমিলিয়ে তাঁর উইকেট এখন ৪৯।
আর তিনটি শিকার ঝুলিতে ভরতে পারলেই কপিল দেবের রেকর্ড (৫১ উইকেট) টপকে যাবেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ভারতের সফলতম টেস্ট বোলার হিসেবে খোদাই করবেন নিজের নাম। কিন্তু তাতেও রোহিত ব্রিগেডের স্বস্তির সম্ভাবনা নিয়ে সংশয় থাকছেই। আসলে দু’প্রান্ত দিয়ে তো আর বুমরাহর পক্ষে বল করা সম্ভব নয়!
দ্বিতীয় দিনের স্কোরবোর্ড: অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস (২৮-০ এর পর): খাওয়াজা ক পন্থ বো বুমরাহ ২১, ম্যাকসুইনি ক কোহলি বো বুমরাহ ৯, লাবুশানে ক কোহলি বো নীতীশ ১২, স্মিথ ক রোহিত বো বুমরাহ ১০১, হেড ক পন্থ বো বুমরাহ ১৫২, মিচেল ক কোহলি বো বুমরাহ ৫, কেরি ব্যাটিং ৪৫, কামিন্স ক পন্থ বো সিরাজ ২০, স্টার্ক ব্যাটিং ৭, অতিরিক্ত ৩৩। মোট (১০১ ওভারে) ৭ উইকেটে ৪০৫। উইকেট পতন: ১-৩১, ২-৩৮, ৩-৭৫, ৪-৩১৬, ৫-৩২৬, ৬-৩২৭, ৭-৩৮৫। বোলিং: বুমরাহ ২৫-৭-৭২-৫, সিরাজ ২২.২-৪-৯৭-১, আকাশ ২৪.৪-৫-৭৮-০, নীতীশ ১৩-১-৬৫-১, জাদেজা ১৬-২-৭৬-০।
অ্যাডিলেডে ১৪০ রানের পর এদিনের ১৫২। উল্টোদিকে ভারতকে দেখলেই জ্বলে উঠছেন ট্রাভিস। ওভালে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে সেঞ্চুরি দিয়ে শুরু। বছরখানেক আগে মোতেরায় ওডিআই বিশ্বকাপের ফাইনালেও শতরান। এই সময়কালে সব ফরম্যাট মিলিয়ে টিম ইন্ডিয়াকে এভাবে আর কোনও ব্যাটার ভোগাননি। তাঁর ইনিংসে রইল ১৮টা বাউন্ডারি। স্মিথও সমালোচকদের জবাব দেওয়ার মঞ্চ পেয়ে গেলেন এদিন। ভারতের বিরুদ্ধে টেস্টে তাঁর শতরানের সংখ্যা আপাতত ১০। এই কীর্তিতে জো রুটকে (১০) স্পর্শ করলেন তিনি। টেস্টে সবমিলিয়ে তাঁর সেঞ্চুরির সংখ্যা এখন ৩৩। দ্বিতীয় নতুন বল নেওয়ার পর ‘বুমবুম স্পেশ্যাল’ অবশ্য কিছুটা লড়াইয়ে ফিরিয়েছে ভারতকে। পরপর আউট হন স্মিথ, মিচেল মার্শ ও হেড। চলতি সিরিজে তিন টেস্টে এটা তাঁর দ্বিতীয় ৫ উইকেট। সেই সুবাদে বুমরাহর শিকারসংখ্যা দাঁড়াল ১৭। ডনের দেশে সবমিলিয়ে তাঁর উইকেট এখন ৪৯।
আর তিনটি শিকার ঝুলিতে ভরতে পারলেই কপিল দেবের রেকর্ড (৫১ উইকেট) টপকে যাবেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ভারতের সফলতম টেস্ট বোলার হিসেবে খোদাই করবেন নিজের নাম। কিন্তু তাতেও রোহিত ব্রিগেডের স্বস্তির সম্ভাবনা নিয়ে সংশয় থাকছেই। আসলে দু’প্রান্ত দিয়ে তো আর বুমরাহর পক্ষে বল করা সম্ভব নয়!
দ্বিতীয় দিনের স্কোরবোর্ড: অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস (২৮-০ এর পর): খাওয়াজা ক পন্থ বো বুমরাহ ২১, ম্যাকসুইনি ক কোহলি বো বুমরাহ ৯, লাবুশানে ক কোহলি বো নীতীশ ১২, স্মিথ ক রোহিত বো বুমরাহ ১০১, হেড ক পন্থ বো বুমরাহ ১৫২, মিচেল ক কোহলি বো বুমরাহ ৫, কেরি ব্যাটিং ৪৫, কামিন্স ক পন্থ বো সিরাজ ২০, স্টার্ক ব্যাটিং ৭, অতিরিক্ত ৩৩। মোট (১০১ ওভারে) ৭ উইকেটে ৪০৫। উইকেট পতন: ১-৩১, ২-৩৮, ৩-৭৫, ৪-৩১৬, ৫-৩২৬, ৬-৩২৭, ৭-৩৮৫। বোলিং: বুমরাহ ২৫-৭-৭২-৫, সিরাজ ২২.২-৪-৯৭-১, আকাশ ২৪.৪-৫-৭৮-০, নীতীশ ১৩-১-৬৫-১, জাদেজা ১৬-২-৭৬-০।



