Bartaman Logo
১ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

শ্রমজীবী হাসপাতালে গ্যাস সংকট বেলুড় ও শ্রীরামপুরে, ভরসা উনুন

রান্নার গ্যাস সংকটের প্রভাব পড়ল হাসপাতালেও। হাওড়ার বেলুড়ে শ্রমজীবী হাসপাতালে গ্যাসের জোগান কম থাকায় কাঠের উনুনে রান্নার ব্যবস্থা করতে হয়েছে। হাসপাতালটি ৬০ শয্যার। তবে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক ধাক্কা সামলে বর্তমানে ইলেকট্রিক আভেনেও চলছে রান্না।

শ্রমজীবী হাসপাতালে গ্যাস সংকট  বেলুড় ও শ্রীরামপুরে, ভরসা উনুন
  • ২৮ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: রান্নার গ্যাস সংকটের প্রভাব পড়ল হাসপাতালেও। হাওড়ার বেলুড়ে শ্রমজীবী হাসপাতালে গ্যাসের জোগান কম থাকায় কাঠের উনুনে রান্নার ব্যবস্থা করতে হয়েছে। হাসপাতালটি ৬০ শয্যার। তবে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক ধাক্কা সামলে বর্তমানে ইলেকট্রিক আভেনেও চলছে রান্না।

Advertisement

১৯৯৪ সালে এই হাসপাতাল শুরু হয়। তারপর থেকেই রোগীদের জন্য রান্না করা খাবারের ব্যবস্থা আছে এখানে। চিকিৎসক, রোগী ও কর্মী মিলিয়ে দৈনিক ২০০ জনের মতো খাবার তৈরি হয়। পাশাপাশি শ্রমজীবী পাঠশালার প্রায় দেড়শো মানুষের খাবারের দায়িত্বও এই হাসপাতালের উপর ন্যস্ত। কিন্তু গ্যাস সংকটে স্বাভাবিক ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। 
সমস্যার মুখে পড়েছে শ্রীরামপুরের শ্রমজীবী হাসপাতালও। সেখানেও প্রতিদিন প্রায় ৪০০ জনের রান্না হয়। দরকার লাগে দশটি সিলিন্ডার। সে জায়গায় মিলছে একটি বা দু’টি। ফলে বিকল্প জ্বালানির দিকে ঝুঁকতে হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। উনুন তৈরি করে জ্বালানি কাঠ কিনে রান্নার ব্যবস্থা হচ্ছে। এই পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে হাসপাতাল সংলগ্ন ছোটো খাবারের দোকানগুলিতেও। গ্যাসের অভাবে সেগুলিও কার্যত বন্ধ হওয়ার মুখে। সবমিলিয়ে প্রবল সমস্যায় রোগীর আত্মীয়স্বজনরা। বেলুড় শ্রমজীবী হাসপাতালের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি তৃষাণু মিত্র জানান, প্রথমদিকে সংকট তীব্র থাকলেও বর্তমানে কিছুটা হলেও রান্নার গ্যাস মিলছে। কাঠের জ্বালানির পাশাপাশি ইলেকট্রিক আভেনও ব্যবহার হচ্ছে। এভাবে খাবারের জোগানে ঠিক রাখার চেষ্টা চলছে।

সম্পর্কিত সংবাদ