Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

গঙ্গাসাগর মেলা: চাপ সামলাতে কচুবেড়িয়ার কাছে আরও একটি বাসস্ট্যান্ডের পরিকল্পনা

প্রতি বছর গঙ্গাসাগর মেলার সময় কচুবেড়িয়া জেটিঘাটে পুণ্যার্থীদের বাস ধরার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। বিপুল সংখ্যক যাত্রীর বাসে ওঠা-নামার জন্য এতদিন ভরসা ছিল একটি মাত্র বাসস্ট্যান্ড।

গঙ্গাসাগর মেলা: চাপ সামলাতে কচুবেড়িয়ার কাছে আরও একটি বাসস্ট্যান্ডের পরিকল্পনা
  • ১৮ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: প্রতি বছর গঙ্গাসাগর মেলার সময় কচুবেড়িয়া জেটিঘাটে পুণ্যার্থীদের বাস ধরার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। বিপুল সংখ্যক যাত্রীর বাসে ওঠা-নামার জন্য এতদিন ভরসা ছিল একটি মাত্র বাসস্ট্যান্ড। এবার আরও একটি অস্থায়ী বাসস্ট্যান্ড করার পরিকল্পনা নিল জেলা প্রশাসন। জানা গিয়েছে, কচুবেড়িয়া থেকে আড়াই কিলোমিটার দূরে বামনখালিতে এই বাসস্ট্যান্ড করা হবে। তাতে কচুবেড়িয়া থেকে তীর্থযাত্রীদের ভিড়ের চাপ কিছুটা হলেও কমবে। মঙ্গলবার ২০২৬ সালের গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক হয় সাগরে। সেখানেই এই নয়া পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আরও একটি তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, গত কয়েক বছর ধরে সাগরতীর্থের ২ নম্বর সমুদ্র সৈকত স্নানের জন্য বন্ধ রাখা হয়। ৩ এবং ৪ নম্বর সি বিচের অবস্থাও যথেষ্ট খারাপ। তাই এবার ওই তিনটি সৈকত বা বিচকেই স্নানের উপযোগী করে তোলার চেষ্টা চালাচ্ছে সেচদপ্তর। মাটি কতটা পাওয়া যাচ্ছে এবং তা দিয়ে তিনটি বিচ ঠিক করা সম্ভব কি না, তার উপর অনেকটা নির্ভর করছে। এক আধিকারিক বলেন, ‘যদি পর্যাপ্ত মাটি দিয়ে সমুদ্র সৈকত পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়, তাহলেই তিনটি বিচই খুলে দেওয়া হবে স্নানের জন্য। তা না হলে ১, ১এ, ৫ ও ৬ নম্বর বিচ ব্যবহার করা হবে। ড্রেজিং করার পর যে পলি উঠবে, সেটাই ওই বিচে ফেলা হবে বলে ঠিক হয়েছে।’ 

Advertisement

এদিকে, নভেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে মুড়িগঙ্গা নদীতে ড্রেজিংয়ের কাজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মেলার সময় তীর্থযাত্রীদের পারাপার করতে এবারে বেশি সংখ্যক বার্জের ব্যবস্থা করা যায় কি না, সে ব্যাপারেও এদিন আলোচনা হয়েছে। বৈঠক সূত্রে খবর, এ বছরের মেলায় দশটি বার্জ কাজ করেছে। আগামী বছর আরো অন্তত দু’টি এই জলযান বাড়ানো যায় কি না, দেখা হচ্ছে। এদিনের বৈঠকে জেলাশাসক সুমিত গুপ্তা ছাড়াও সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রী তথা সাগরের বিধায়ক বঙ্কিম হাজরা, মথুরাপুরের সাংসদ বাপি হালদার সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। জেলাশাসক বলেন, ‘সৈকত পুনরুদ্ধার করতে সেচদপ্তর কাজ করছে। মেলার জন্য যতটা সম্ভব, তৈরি করবে বিচ।’ এছাড়াও এদিন বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে কাজের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই নদীতে ড্রেজিং শুরু হবে বলে আশা করছে প্রশাসন।

সম্পর্কিত সংবাদ