ব্যতিক্রম
ব্যতিক্রম
•• গজরাজের জীবনে তাড়া কম। যেকোনও প্রজেক্ট বেছে নেওয়ার আগে বেশ কিছুটা সময় নেন তিনি। কিন্তু ‘দুপাহিয়া’ নাকি ব্যতিক্রম। কারণ ব্যাখ্যা করে অভিনেতা বলেন, ‘খুব কম ক্ষেত্রে হয় যে, চিত্রনাট্য পড়েই ভালো লাগে। কিন্তু ‘দুপাহিয়া’র চিত্রনাট্য পড়া মাত্রই মনে হয়েছিল কাজটা করব।’
কমেডিতে স্বাধীনতা
•• কমেডি হোক বা সিরিয়াস অভিনয়, দুই ধরনের চিত্রনাট্যেই কাজ করেছেন গজরাজ। কিন্তু কমেডি তাঁকে অনেক বেশি জনপ্রিয় করেছে। সে প্রসঙ্গে অভিনেতার মত, ‘আসলে সিরিয়াস ধরনের ছবি বা সিরিজের সময় একটু মেপে অভিনয় করতে হয়। নিজের থেকে কিছু যোগ করার খুব একটা সুযোগ পাওয়া যায় না। আর কমেডি হল ‘থালি’র মতো। এরমধ্যে আপনি কম-বেশি কিছু যোগ করতে পারেন। তাই কমেডির ক্ষেত্রে একটু বেশি স্বাধীনতা পাওয়া যায়। তবে অবশ্যই চিত্রনাট্য ভালো হওয়া প্রয়োজন।’
বৈচিত্র্য প্রয়োজন
•• ওটিটিতে থ্রিলার, ডার্ক কনটেন্টের আধিপত্য বেশি। সেই চাপে পারিবারিক ছবি কি কোথাও হারিয়ে যাচ্ছে? গজরাজের কথায়, ‘দেখুন হাতের পাঁচটা আঙুল যেমন সমান হয় না, তেমনি কনটেন্টেও বৈচিত্র্য প্রয়োজন। তাই ক্রাইম থ্রিলার জরুরি। কিন্তু পরিবারের সঙ্গে বসে দেখার মতো ছবি বা সিরিজও খুবই প্রয়োজন। আমি নিজেই এমন ধরনের কাজ ভালোবাসি। হৃষিদা (মুখোপাধ্যায়), বাসুদা (চট্টোপাধ্যায়) বা সাই পরাঞ্জপাইয়ের ছবি ৩০-৪০ বছর পরেও আমাকে প্রভাবিত করে এবং আনন্দ দেয়।’
প্রত্যাশার দায়ভার
•• শিল্পী হিসেবে গজরাজ যে ধরনের কাজ উপহার দিয়েছেন, তাতে তাঁর কাছ থেকে প্রত্যাশা প্রতিদিনই বাড়ছে। অভিনেতা হিসেবে দর্শকের সেই প্রত্যাশা কি দায়ভারের শামিল? অভিনেতার উত্তর, ‘আমরা সকলে বিশাল এক কারখানার খুব ছোট অংশ মাত্র। তাই কোনও শিল্পীই নিজের উপর দায়ভার খুব একটা নিতে পারেন না। কিন্তু কোথাও গেলে বিভিন্ন বয়সের মানুষ যখন আমার অভিনয়ের প্রশংসা করেন, তখন সত্যি খুব আনন্দ হয়। কিছুদিন আগে লন্ডনে কিছু ভারতীয়র সঙ্গে আমার দেখা হয়েছিল। ওঁরা জানিয়েছিলেন যে আমার নাম দেখে ছবি বা সিরিজ দেখেন। আমার কাছে এর থেকে বেশি আনন্দের আর কিছু হতে পারে না।’
দেবারতি ভট্টাচার্য, মুম্বই