নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেস প্রভাবিত আলু ব্যবসায়ীদের একটি নতুন সংগঠন তৈরি হতে চলেছে। মঙ্গলবার বিকেলে নবান্নে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর কয়েকজন মন্ত্রীর সঙ্গে এই বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কথা বলেন। এই উদ্যোগে মুখ্যমন্ত্রী অনুমোদন দিয়েছেন বলে নবান্নে সূত্রে জানা গিয়েছে। নতুন সংগঠনটির নাম প্রগ্রেসিভ পটেটো গ্রোওয়ার্স অ্যান্ড ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন হবে বলে প্রাথমিকভাবে আলোচনা হয়েছে। রাজ্যের কয়েকজন প্রবীণ মন্ত্রী এই সংগঠনে উপদেষ্টা হিসেবে থাকবেন। এঁরা হলেন কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, সেচ ও জলসম্পদ মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, কৃষি বিপণনমন্ত্রী বেচারাম মান্না ও পঞ্চায়েতমন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার।
Advertisement
এদিন বিকেলে নবান্নে আলু ব্যবসায়ী ও হিমঘর মালিকদের সংগঠনের প্রতিনিধিদের বৈঠকে ডেকেছিল রাজ্য সরকার। নতুন মরশুমে আলু ওঠার পর তা হিমঘরে মজুত করার বিষয় নিয়ে বৈঠকটি ডাকা হয়। কৃষি ও কৃষি বিপণন দপ্তরের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকের কর্মসূচি নেওয়া হলেও আলু ব্যবসায়ী ও হিমঘর মালিকদের প্রধান দুটি সংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃত্বের কেউ এই বৈঠকে যোগ দেননি। বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি নবান্ন। বৈঠকে যোগ না দিয়ে সরকারকে উপেক্ষা করা হয়েছে বলেই মনে করছেন শীর্ষ কর্তারা। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল প্রভাবিত আলু ব্যবসায়ীদের সংগঠন গড়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়টির সম্পর্ক থাকতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।
বেশ কয়েক মাস ধরে রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলু ব্যবসায়ী ও হিমঘর মালিক সংগঠনের টানাপোড়েন চলছে। পুজোর পরে আলুর দাম বাজারে বেড়ে যাওয়ার মুখ্যমন্ত্রী ক্ষুব্ধ হন। এরপর ভিন রাজ্যে আলু পাঠানোর উপর সরকারি বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। প্রগতিশীল আলু ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক লালু মুখোপাধ্যায় জানান, এই বৈঠক ডাকার কথা তাঁদের অনেক দেরিতে জানানো হয়েছিল। তাই তাঁদের পক্ষে নবান্নে যাওয়া সম্ভব হয়নি। সরকার পরে ফের বৈঠক ডাকলে তাঁরা যাবেন।
বেশ কয়েক মাস ধরে রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলু ব্যবসায়ী ও হিমঘর মালিক সংগঠনের টানাপোড়েন চলছে। পুজোর পরে আলুর দাম বাজারে বেড়ে যাওয়ার মুখ্যমন্ত্রী ক্ষুব্ধ হন। এরপর ভিন রাজ্যে আলু পাঠানোর উপর সরকারি বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। প্রগতিশীল আলু ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক লালু মুখোপাধ্যায় জানান, এই বৈঠক ডাকার কথা তাঁদের অনেক দেরিতে জানানো হয়েছিল। তাই তাঁদের পক্ষে নবান্নে যাওয়া সম্ভব হয়নি। সরকার পরে ফের বৈঠক ডাকলে তাঁরা যাবেন।



