Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দীঘা জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদে ফ্যাসাই স্বীকৃতি

দীঘা জগন্নাথ মন্দিরের মুকুটে নয়া পালক। অবশেষে দীঘা জগন্নাথ মন্দিরের ভোগপ্রসাদের গুণমান রক্ষার ক্ষেত্রে  এফএসএসএআইয়ের (ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অব ইন্ডিয়া) বা খাদ্য নিয়ামক সংস্থার স্বীকৃতি পেল।

দীঘা জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদে ফ্যাসাই স্বীকৃতি
  • ১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:০৪
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কাঁথি: দীঘা জগন্নাথ মন্দিরের মুকুটে নয়া পালক। অবশেষে দীঘা জগন্নাথ মন্দিরের ভোগপ্রসাদের গুণমান রক্ষার ক্ষেত্রে  এফএসএসএআইয়ের (ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অব ইন্ডিয়া) বা খাদ্য নিয়ামক সংস্থার স্বীকৃতি পেল। বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত সার্টিফিকেট এসেছে মন্দির কর্তৃপক্ষের কাছে। কেন্দ্রীয় ওই সংস্থার সমস্ত গাইডলাইন যথাযথভাবে মেনে ভোগপ্রসাদ তৈরি, খাদ্যের মান, পরিচ্ছন্নতা, রান্না পরিবেশন, স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখা প্রভৃতি বিষয়ে নজর দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তার স্বীকৃতি হিসাবে  ‘ইট রাইট প্লেস অব ওরশিপ’ শীর্ষক সার্টিফিকেট পেয়েছে জগন্নাথ মন্দির।  এই খবরে খুশি মন্দির কর্তৃপক্ষ থেকে শুরু করে পুণ্যার্থী, পর্যটক সকলেই।  দীঘার জগন্নাথ মন্দিরে প্রতিদিন জগন্নাথ-বলরাম-সুভদ্রা সহ অন্যান্য দেবদেবীর জন্য ভোগ রান্না করা হয়। পাশাপাশি কয়েকশো ভক্তের জন্য ভোগ রান্না করা হয়। কয়েকমাস আগে নন্দীগ্রাম স্বাস্থ্যজেলার খাদ্যসুরক্ষা বিভাগ থেকে মন্দিরে ভোগপ্রসাদের খাবারের নমুনা সংগ্রহের পাশাপাশি অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখা  হয়। খাবারের গুণমানের নমুনা এফএসএসএআইয়ের কাছে খাদ্য সুরক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে পাঠানো হয়েছিল। তারপর সার্টিফিকেট পাওয়া ছিল স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। উল্লেখ্য, দীঘা জগন্নাথ মন্দিরে প্রতিদিন হাজারের কাছাকাছি ভক্তের জন্য ভোগ রান্না হয়। তবে ইদানীং গ্যাসের সংকটের কারণে সেই সংখ্যাটা কমে গিয়েছে। রান্নার কাজে অনেকেই  যুক্ত রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা রয়েছেন। নন্দীগ্রাম স্বাস্থ্যজেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক বিশ্বজিৎ মান্না বলেন, মন্দিরের ভোগপ্রসাদ গুণমানে এফএসএসআইয়ের স্বীকৃতি লাভ করেছে। জগন্নাথ মন্দির ট্রাস্ট কমিটির সদস্য রাধারমণ দাস বলেন, এটা আমাদের কাছে খুবই খুশির খবর।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ