Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / হেলথ

সুগার-প্রেশার থেকে কিডনি-লিভার: লাইফস্টাইল ডিজিজের সমাধানে মনিপালের চিকিৎসকরা

বর্তমান পত্রিকা আর ফরচুন কাচ্চিঘানি আয়োজিত বর্ষামঙ্গল রান্নাঘর প্রতিযোগিতা ২০২৫-এ মণিপাল হাসপাতালের বিশিষ্ট চিকিৎসকরা জানিয়ে গেলেন বিভিন্ন লাইফস্টাইল ডিজিজ ও রোজকার অসুখ-বিসুখ থেকে মুক্তির উপায়।

সুগার-প্রেশার থেকে কিডনি-লিভার: লাইফস্টাইল ডিজিজের সমাধানে মনিপালের চিকিৎসকরা
  • ২৩ আগস্ট, ২০২৫ ১১:০৮
Prefer us on Google

বর্তমান পত্রিকা আর ফরচুন কাচ্চিঘানি আয়োজিত বর্ষামঙ্গল রান্নাঘর প্রতিযোগিতা ২০২৫-এ মণিপাল হাসপাতালের বিশিষ্ট চিকিৎসকরা জানিয়ে গেলেন বিভিন্ন লাইফস্টাইল ডিজিজ ও রোজকার অসুখ-বিসুখ থেকে মুক্তির উপায়। মণিপাল ব্রডওয়ের কনসালটেন্ট ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ডাঃ রাজা নাগ জানালেন, স্ট্রেস এখন হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকির বড় কারণ। কারণ, উদ্বেগ-উত্কণ্ঠা বৃদ্ধির সঙ্গেই শরীরে ক্ষতিকর কিছু রাসায়নিকের ক্ষরণও বাড়ে। বাড়ে হার্টরেট, ব্লাড প্রেশার, কোলেস্টেরল। অনেকের সুগার ধরা পড়ে। স্ট্রেস কমাতে ধূমপান ধরলে তা  উলটে স্ট্রেস বাড়িয়ে দেয়। আসল প্রয়োজন হল ব্যায়াম, ধ্যান এবং পর্যাপ্ত ঘুমের। এখানকার অর্থোপেডিক সার্জেন ডাঃ সোহম মণ্ডল বলেন, দিনের বেশিরভাগ সময়টা এসি ঘরে কাটানোয় শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি তৈরি হচ্ছে না। মাথায় রাখতে হবে, ভিটামিন ডি হাড়ের স্বাস্থ্যরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ। দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। মণিপাল ব্রডওয়ের কনসালটেন্ট গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট  ডাঃ সুদীপ্ত ঘোষ বলেন, গ্যাস অম্বল দূরে রাখার সেরা টিপস হল পরিমিত আহার এবং রোজ ৩০-৪৫ মিনিট হাঁটা। তাতে লিভারে ফ্যাট জমবে কম। অন্ত্রের সংকোচন-প্রসারণ স্বাভাবিক হবে। পরিপাকতন্ত্র ভালো কাজ করবে। মণিপাল হাসপাতাল ব্রডওয়ের ভাসকুলার এবং এন্ডোভাসকুলার সার্জেন ডাঃ জয়ন্ত দাস সতর্ক করেন, এখন দীর্ঘসময় দাঁড়িয়ে বা বসে কাজ করায় ভেরিকোজ ভেইন বাড়ছে। তবে এই রোগ প্রতিরোধ করা যায়। একটানা দাঁড়িয়ে কাজ করতে হলে কাজের মাঝখানে একটু বসে নিন। আবার একটানা বসে কাজ করলে কাজের মাঝখানে একটু দাঁড়িয়ে নিন। মাঝে মধ্যে করুন টো-টিপ এক্সারসাইজ। পায়ের পাতার সামনের অংশ মাটিতে ঠেকিয়ে পায়ের গোড়ালি মাটি থেকে তুলুন। এছাড়া যদি পায়ের কাফ মাসলের পিছনে ব্যথা হয়,  অবশ্যই একজন ভাসকুলার সার্জেনের পরামর্শ নিন। প্রাথমিকভাবে রোগ ধরা পড়লে সার্জারি ছাড়াই সমস্যা মুক্তি সম্ভব। মণিপাল ব্রডওয়ে এবং সল্টলেক হাসপাতাল নেফ্রোলজি এবং ট্রান্সপ্ল্যান্ট ফিজিশিয়ান ডাঃ উপল সেনগুপ্ত সচেতন করেন, মানুষের মধ্যে ধারণা জল বেশি খেলে কিডনি ভালো থাকে। আর এই ধারণার মূল কারণ, জল খেলেই তা ইউরিন হয়ে বেরিয়ে যায়। আর তাতে নাকি শরীর ভালো থাকবে। সত্যিটা হল, জল তখনই পান করা উচিত, যখন তৃষ্ণা পাচ্ছে। এভাবে আড়াই থেকে ৩ লিটার জল পান আমাদের হয়েই যায়।

Advertisement

 

 

তবে যাঁরা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অফিসে কাজ করেন, তাঁরা তৃষ্ণা কম অনুভব করেন। সেক্ষেত্রে অফিসে থাকার সময় পর্যাপ্ত জলপান করতে হবে। তবে যাঁদের ইতিমধ্যেই কিডনির অসুখ হয়ে গিয়েছে এবং হাত-পা ফুলছে, তাঁদের ক্ষেত্রে জলপানের মাত্রা নির্দিষ্ট করা হয়। দর্শকরা জানান, বর্ষামঙ্গলে আনন্দ-আমোদের পাশাপাশি রোজকার দরকারি বিষয় নিয়েও বহুকিছু জানা গেল। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ