Bartaman Logo
৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জলপাইগুড়ি থেকে নিউটাউন, সাধারণের আয়ত্তেই ৩৫০০ ফ্ল্যাট রাজ্যের

নাগালের মধ্যেই ‘মাথার ছাদ’। এই সুযোগ করে দিতে বড়ো পদক্ষেপ নবান্নের। সাধারণের আয়ত্তের মধ্যে তৈরি হচ্ছে সাড়ে তিন হাজার ফ্ল্যাট।

জলপাইগুড়ি থেকে নিউটাউন, সাধারণের আয়ত্তেই ৩৫০০ ফ্ল্যাট রাজ্যের
  • ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নাগালের মধ্যেই ‘মাথার ছাদ’। এই সুযোগ করে দিতে বড়ো পদক্ষেপ নবান্নের। সাধারণের আয়ত্তের মধ্যে তৈরি হচ্ছে সাড়ে তিন হাজার ফ্ল্যাট। ঠাকুরপুকুর থেকে নিউটাউন হয়ে উত্তরবঙ্গ। একাধিক নতুন আবাসন প্রকল্প হাতে নেওয়ার ঘোষণা করে দিল শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। তিনটি ইনকাম গ্রুপে ভাগ করেই বিক্রি হবে এই ফ্ল্যাট। আর তিনটি ক্ষেত্রেই বাজার দরের তুলনায় অনেকটাই কম দামে। শুক্রবার একথা জানালেন আবাসনমন্ত্রী দীপক বর্মন। আগামী বছর মার্চের মধ্যেই নিউটাউন অ্যাকশন এরিয়া ওয়ানে জি প্লাস ফোর আবাসন সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। ঠাকুরপুকুরের প্রকল্পটি সবথেকে বড়ো। ২২ একর জমির উপর মেগা আবাসন। এখানে প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হবে ২০২৮ সালের ডিসেম্বর মাসে। এছাড়া রয়েছে আরও চারটি প্রকল্প। নিউটাউন অ্যাকশন এরিয়া ২-এ পুনরুজ্জীবিত করা হচ্ছে এইচআইজি শ্রেণির জন্য ‘সান-রে হাউজিং প্রজেক্ট’। শিলিগুড়িতে ‘হিমাচলকন্যা’ আবাসনের চতুর্থ পর্যায়ের কাজও শুরু হচ্ছে। ডাবগ্রামে আবাসন প্রকল্প ২০২৮ সালের ডিসেম্বরে সম্পূর্ণ করার টার্গেট নেওয়া হয়েছে। আর জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ ব্লকের বিন্নাগুড়িতে সাত একর জমি আবাসিক প্লট হিসাবে বণ্টন করা হবে। ফ্ল্যাট-জমি মিলিয়ে সংখ্যাটা প্রায় সাড়ে তিন হাজার।

Advertisement

মাসে যাঁদের সর্বাধিক ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত পারিবারিক আয়, তাঁরা লোয়ার ইনকাম গ্রুপের (এলআইজি) জন্য তৈরি ফ্ল্যাটে আবেদন করতে পারবেন। তাঁরা ফ্ল্যাট পাবেন মাত্র ৪ হাজার ৫০০ টাকা প্রতি বর্গফুট (কার্পেট এরিয়া) দরে। এমআইজি’র ক্ষেত্রে সেটাই ৫ হাজার ১০০ থেকে ৫ হাজার ৫০০ টাকা প্রতি বর্গফুট (কার্পেট এরিয়া)। এইচআইজির ক্ষেত্রে এলাকা এবং নির্মাণের মতো বিষয় বিচার করে দাম নির্ধারিত হবে। রাজ্যের নতুন প্রকল্পগুলিতে তিন ধরনেরই ফ্ল্যাট তৈরি হচ্ছে বলেই জানিয়েছেন মন্ত্রী। তাঁর মতে, রাজ্যের এই উদ্যোগের ফলে অনিয়ন্ত্রিতভাবে ফ্ল্যাটের দাম বৃদ্ধির বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে থাকবে। শুক্রবার অতিরিক্ত মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী সহ দপ্তরের অন্যান্য আধিকারিকদের পাশে বসিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন মন্ত্রী দীপক বর্মন। 
পুরানো প্রকল্পগুলিতে দীর্ঘদিন অবিক্রিত ফ্ল্যাটগুলি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ‘ফার্স্ট কাম, ফার্স্ট সার্ভ’ ভিত্তিতে বিক্রি করা হবে। একইসঙ্গে পুরানো আবাসনে ফ্ল্যাট থাকলে দ্বিতীয়বার কোনো ফ্ল্যাট কেনা যেত না। নিয়মে বদল এনে বসবাসকারী ফ্ল্যাট মালিকদের তাঁদের সংলগ্ন ফ্ল্যাট কেনার সুযোগও দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। একইসঙ্গে নতুন ফ্ল্যাট দীর্ঘমেয়াদি লিজের বদলে শুরুতেই তার মালিকানা বা ফ্রি হোল্ড দেওয়া হবে। লিজে দেওয়া পুরানো ফ্ল্যাটগুলির পাকাপাকি মালিকানা দিয়ে দেবে রাজ্য। এছাড়া আবাসন দপ্তরে শূন্যপদ পূরণের পাশাপাশি ইটভাটাগুলি চালু করে অন্তত ৬ হাজার কর্মসংস্থানেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ