Bartaman Logo
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

চন্দননগরে পর্যটন বিকাশের বার্তা ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের, খেলেন ফুচকা

বাংলা তথা ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক, সাংস্কৃতিক যোগাযোগ আরও নিবিড় করতে চায় ফ্রান্স। তার স্মারক হতে পারে, চন্দননগরের ‘ফরাসি উৎসব’।

চন্দননগরে পর্যটন বিকাশের বার্তা ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের, খেলেন ফুচকা
  • ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: বাংলা তথা ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক, সাংস্কৃতিক যোগাযোগ আরও নিবিড় করতে চায় ফ্রান্স। তার স্মারক হতে পারে, চন্দননগরের ‘ফরাসি উৎসব’। শুক্রবার চন্দননগরে সাবেক ফরাসি রেজিস্ট্রি ভবনের সংস্কার কাজের সূচনা অনুষ্ঠানে এসে এই ইঙ্গিত দেন ভারতে নিযুক্ত ফরাসি রাষ্ট্রদূত থিঁয়েরি মাঁতু। 

Advertisement

রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ ও চন্দননগরের বিধায়ক দীপাঞ্জন গুহের সামনে বছরে একবার ফরাসি উৎসব করার প্রস্তাব দেন মাঁতু। সেই উৎসব হবে চন্দননগরকে ঘিরে। মূলত পর্যটন প্রসারের উপর জোর দিতে গিয়ে ‘চন্দননগরে ফরাসি ফিরুক’ স্লোগান তুলেছেন রাষ্ট্রদূত। রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী ও ফরাসি রাষ্ট্রদূত দু’জনেই একযোগে জানিয়েছেন, বাংলার পর্যটন প্রসারে দ্বিপাক্ষিক উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এদিন শঙ্কর ঘোষ বলেন, ‘হুগলিতে ঐতিহ্যের বিবিধ সমাহার। সে সব জলপথেজুড়ে বাংলার পর্যটন বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে আমরা পরিকল্পনা করছি। চন্দননগরের সাবেক রেজিস্ট্রি ভবনের সংস্কারে রাজ্য ও ফ্রান্স সরকারের যৌথ উদ্যোগ তাঁর প্রথম ধাপ।’ তিনি দাবি করেন, দ্রুত ওই ভবন সংস্কারের কাজ শুরু হবে। 
দুপুরে জলপথে চন্দননগরে পৌঁছন সপার্ষদ রাষ্ট্রদূত। তিনি রানিঘাটে সাবেক ফরাসি রেজিস্ট্রি ভবনের সংস্কার কাজের সূচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন। পরে চন্দননগরের ফরাসি মিউজিয়ামে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এদেশে বিনিয়োগ সভা করার পরিকল্পনা করছি। বাংলার পর্যটনের সঙ্গে জুড়ে আছে অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং উন্নয়ন। আমরা ফ্রান্সকে ফেরাতে চাই চন্দননগরে। প্রতিবছর চন্দননগর উৎসব করে একটি সুদৃঢ় বন্ধন গড়তে চাই।’ ঐতিহ্যের সংরক্ষণ শুরুর অনুষ্ঠানকে চন্দননগর উৎসবের চেহারা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। ফলে এদিনের অনুষ্ঠান ঘিরে যেমন সেজে উঠেছিল সাবেক ফরাসি তালুক তেমনই বিপুল উৎসাহ ছিল নাগরিক মহলে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ