Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বারাকপুরে পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে অটো পরিষেবা, দত্তপুকুরে দুর্ঘটনায় আহত ছয়

শুরু হল উচ্চ মাধ্যমিকের চতুর্থ সেমিস্টারের পরীক্ষা। প্রথম দিন কিছু বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া নির্বিঘ্নে কাটল পরীক্ষা। এদিন জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সংগঠনের তরফে শুভেচ্ছাও জানানো হল পরীক্ষার্থীদের।

বারাকপুরে পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে অটো  পরিষেবা, দত্তপুকুরে দুর্ঘটনায় আহত ছয়
  • ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদদাতা: শুরু হল উচ্চ মাধ্যমিকের চতুর্থ সেমিস্টারের পরীক্ষা। প্রথম দিন কিছু বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া নির্বিঘ্নে কাটল পরীক্ষা। এদিন জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সংগঠনের তরফে শুভেচ্ছাও জানানো হল পরীক্ষার্থীদের।

Advertisement

বারাকপুর স্টেশন থেকে পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে অটোয় যাতায়াতের পাশ দেওয়া হয়। পরীক্ষার্থীদের গোলাপ ফুল এবং পানীয় জলের বোতল তুলে দেওয়া হল পুলিশ, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে। এদিনই ছিল শিল্প ধর্মঘট। তাই বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে শুরু হয় পরীক্ষা। বজবজে প্রাণকৃষ্ণ ঊচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষার্থীদের পানীয় জলের বোতল ও পেন দিয়ে শুভেচ্ছা জানান ডায়মন্ডহারবার-যাদবপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি কৌশিক রায় ও তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। সকালে উলুবেড়িয়া দক্ষিণ বিধানসভার বাগাণ্ডা জটাধারী উচ্চ বিদ্যালয় ও কালীনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থীদের হাতে গোলাপ ফুল তুলে দিয়ে শুভেচ্ছা জানান মন্ত্রী পুলক রায়।
দত্তপুকুর থানার বামনগাছি চৌমাথা যশোর রোডে পরীক্ষা দিয়ে ফেরার পথে গাড়ির ধাক্কায় অটো উলটে জখম হয়েছে ছয় পরীক্ষার্থী। জখম হয়েছেন তাদের অভিভাবকরাও। আহতদের নিয়ে আসা হয় বারাসত মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপতালে। ঘাতক গাড়িটিকে আটক করেছে দত্তপুকুর থানার পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ছ’জন পরীক্ষার্থী ও দু’জন অভিভাবিকা জখম হয়েছেন। তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর কিছু সময় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। জখম পরীক্ষার্থী দীপশিখা দে বলেন, পরীক্ষা দিয়ে ফেরার পথেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। পিছন থেকে একটি গাড়ি আমাদের অটোয় ধাক্কা মারে। বারুইপুরের ধপধপি উচ্চ বিদ্যালয়ের এক ছাত্রী পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় অসুস্থ হয়ে পড়ে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বারাসত এক নম্বর ব্লকের বামনগাছি ভোলানাথ হাই স্কুলের তিন মাসের সদ্যোজাত শিশুকে কোলে নিয়ে পরীক্ষা দিতে আসে মা। পরীক্ষার্থী আশা খাতুনের মা জাহানারা খাতুন বলেন, মেয়ের ইচ্ছে চাকরি করার, তাই পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে। বনগাঁর মণিগ্রাম হাইস্কুলের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার সিট পড়েছিল বনগাঁ রাখালদাস হাই স্কুলে। পরীক্ষার আগে অসুস্থতা বোধ করেন মণিগ্রাম হাইস্কুলের ছাত্রী তুহিনা মণ্ডল। তাকে বনগাঁ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভরতি করা হয়। সেখানেই পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। সকালে এয়ারপোর্টের বিরাটি মহাজাতি বালিকা বিদ্যালয়ে দুই পরীক্ষার্থী তাদের রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট বাড়িতে রেখে এসেছিল। বিষয়টি জানতে পেরে সেই সময় এয়ারপোর্ট ট্রাফিকের ডিউটিরত এসআই হোসেনুর তরফদার এবং সিভিক ভলান্টিয়ার বিশ্বজিৎ দাস ওই দুই পরীক্ষার্থীকে বাইক ও স্কুটারে করে তাদের বাড়ি নিয়ে যান। সেখান থেকে রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট নিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পরীক্ষা কেন্দ্রে ফিরে আসেন। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিন অ্যাডমিট কার্ড বাড়িতে ফেলে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে চরম বিপাকে পড়েন পুষ্পা কুমারী নামে এক ছাত্রী। উত্তর হাওড়ার ফকিরবাগানের বাসিন্দা ও গুরুনানক বিদ্যামন্দিরের পরীক্ষার্থী পুষ্পার সিট পড়েছিল সালকিয়ার রাজগরিয়া স্কুলে। খবর পেয়ে উত্তর হাওড়ার বিধায়ক গৌতম চৌধুরী দ্রুত সেখানে পৌঁছন। বাইকে করে ছাত্রীকে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে অ্যাডমিট কার্ড সংগ্রহ করে পুনরায় সময়মতো পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে দেন। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ