সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: কাশীপুর থানা এলাকার ৩০জন গো-পালনের ভুয়ো স্কিমের ফাঁদে পা দিয়ে প্রতারণার শিকার হয়েছেন। তাঁদের মোট ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা খোয়া গিয়েছে। ঘটনায় কাশীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে।
সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: কাশীপুর থানা এলাকার ৩০জন গো-পালনের ভুয়ো স্কিমের ফাঁদে পা দিয়ে প্রতারণার শিকার হয়েছেন। তাঁদের মোট ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা খোয়া গিয়েছে। ঘটনায় কাশীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে কাশীপুর থানা এলাকার আহাতোড় গ্রামের এক ব্যক্তির কাছে ফোন আসে। তাঁকে ফোন করে গো-পালনের নতুন স্কিম রয়েছে বলে জানায়। এরপর গত মে মাসে সে আদ্রা এলাকায় এসে দু’জনের সঙ্গে কথা বলে। পরের মাসে আবার আদ্রা এলাকায় এসে প্রতারক ওই দু’জনের সঙ্গে দেখা করে। জানানো হয়, একটি কোম্পানি পাঁচ বছরের স্কিমের জন্য চুক্তি করবে। প্রায় ৩০ থেকে ৬০ জন লোক লাগবে। প্রত্যেককে পাঁচ বছরের জন্য ১৬ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে। প্রথম বছর ৮ লক্ষ এবং পরের চার বছর দু’লক্ষ করে টাকা দেওয়া হবে। এর বদলে প্রত্যেককে ১০০ কেজি করে গাওয়া ঘি দিতে হবে। এই স্কিমে আসতে গেলে প্রত্যেককে চুক্তিপত্র করতে হবে। চুক্তিপত্রের রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ আট হাজার টাকা করে দিতে হবে। ব্যাংক ফেসিলিটির জন্য প্রত্যেককে সিকিউরিটি মানি ও চেক দিতে হবে। পুরুলিয়ায় মোট ছ’টি গ্রুপ হবে। প্রতিটি গ্রুপে পাঁচজন করে ব্যক্তি থাকবে।
অভিযোগকারী বলেন, ওই ব্যক্তির কথা মতো আমরা ৩০ জন মিলে ছ’টি গ্রুপ তৈরি করেছিলাম। গ্রুপ লিডারদের চেক দেওয়া হবে জানিয়ে দুর্গাপুরে ডাকা হয়েছিল। তাই পাঁচটি দলের গ্রুপ লিডার এবং কয়েকজন দুর্গাপুরে একটি বেসরকারি লজে গিয়েছিলাম। সেখানে প্রত্যেকের রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ মোট ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা তুলে দেওয়া হয়। এরপর সেখান থেকে পাঁচটি গ্রুপকে একটি করে চেক দেওয়া হয়। পরে চেকগুলি ব্যাংককে এসে জমা করলে জানানো হয় অ্যাকাউন্টে ওই পরিমাণ টাকা নেই। তারপর থেকেই ওই ব্যক্তির ফোন বন্ধ রয়েছে। আমরা প্রতারণার শিকার হয়েছি বুঝতে পেরে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছি। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। দিল্লি পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হচ্ছে।