


ব্রাজিল-১ : ফ্রান্স-২
(ব্রেমের) (এমবাপে, একিতিকে)
ফক্সবরো: ফিফা প্রীতি ম্যাচ হলেও বৃহস্পতিবার প্রাক্তন দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দেশের লড়াই ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহে কমতি ছিল না। তবে ফক্সবরোয় সেই হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে ১০ জনের ফ্রান্সকে হারাতে ব্যর্থ পাঁচবারের বিশ্বজয়ী ব্রাজিল। ২-১ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে বিশ্বকাপের মহড়া শুরু করল দিদিয়ের দেশঁর দল। জয়ী দলের দুই গোলদাতা যথাক্রমে কিলিয়ান এমবাপে ও হুগো একিতিকে। আর ব্রাজিলের হয়ে একমাত্র গোলটি গ্রেইসন ব্রেমেরের।
ব্রাজিলের হেড কোচের দায়িত্ব নেওয়ার পর কার্লো আনসেলোত্তির কাছেও এই ম্যাচ অ্যাসিড টেস্ট ছিল। তাঁর সময়কালে শেষ পাঁচ ম্যাচে ব্রাজিল জয় পায় মাত্র দু’টিতে। তার উপর নেইমারকে স্কোয়াডে না রেখে ঘরে বাইরে সমালোচনার মুখে পড়েছেন হেডমাস্টার। কিন্তু বৃহস্পতিবারও মুখরক্ষা হল না তাঁর। শুরুর ৩২ মিনিটেই ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন কিলিয়ান এমবাপে। ওসুমানে ডেম্বেলের ডিফেন্স চেরা থ্রু’তে চিপ শটে জাল কাঁপান রিয়াল মাদ্রিদের তারকা (১-০)। ফ্রান্সের জার্সিতে এটা এমবাপের ৫৬ তম গোল। ৫৭ গোল করে এই তালিকায় শীর্ষে তাঁর একসময়ের সতীর্থ অলিভার জিরু। প্রথমার্ধে ব্রাজিলের ভিনিসিয়াসরা একটা শটও লক্ষ্যে রাখতে পারেননি। তবে দ্বিতীয়ার্ধে লড়াইয়ে ফেরার লক্ষ্যে মরিয়া হয়ে আক্রমণে ওঠেন রাফিনহারা। আর তার সুফলও মেলে। ৫৫ মিনিটে বক্সের ঠিক মুখে ব্রাজিলের ওয়েজলিকে ফাউল করে লাল কার্ড দেখেন ফরাসি ডিফেন্ডার উপামেকানো। তখন মনে হয়েছিল ১০ জনের প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে আনুপাতিক সংখ্যাগরিষ্ঠতা কাজে লাগাবে আনসেলোত্তির দল। কিন্তু কোথায় কী! উল্টে ৬৫ মিনিটে আরও একটি গোল হজম করে সেলেকাওরা। ওলসের ঠিকানা লেখা পাস ধরে লক্ষ্যভেদ একিতিকের (২-০)। ৭৮ মিনিটে অবশ্য ব্যবধান কমান ব্রেমের (২-১)। তবে বাকি সময়ে আর স্কোরলাইনের পরিবর্তন ঘটেনি। ব্রাজিলকে হারতে দেখে গ্যালারিতে ‘নেইমার, নেইমার’ স্লোগানও ওঠে। এই ঘটনায় বিরক্ত কোচ আনসেলেত্তি। তিনি ম্যাচের পর বলেন, ‘যারা খেলছে, তাদের নিয়েই আলোচনা হওয়া উচিত।’ এদিকে, ফ্রান্স ম্যাচ জিতলেও এমবাপের চোট চিন্তায় রাখছে কোচ দেশঁকে। ফরাসি তারকা পায়ে ব্যথা অনুভব করলে ৬৫ মিনিটে তুলে নেওয়া হয়। ম্যাচ শেষে ফ্রান্সের হেড কোচ বলেন, ‘এমবাপে থামতে জানে না। তবে ও কিছুটা ব্যথা অনুভব করছিল। তাই আর ঝুঁকি নেওয়া হয়নি।’