


ঢাকা: বাংলাদেশে সংসদ নির্বাচনে জয় পেলেন বিএনপির চার সংখ্যালঘু প্রার্থী। ঢাকা-৩ আসনে জয় পেয়েছেন বিএনপির সংখ্যালঘু মুখ বলে পরিচিত গয়েশ্বরচন্দ্র রায়। মাগুরা-২ আসনে জিতেছেন নিতাই রায়চৌধুরী। এছাড়া চট্টগ্রামের দু’টি আসনেও জিতেছেন বিএনপির সংখ্যালঘু প্রার্থী। পার্বত্য রাঙামাটি আসনে নির্দল প্রার্থীকে হারিয়েছেন বিএনপির দীপেন দেওয়ান। তিনিই সবচেয়ে বেশি ব্যবধানে জিতেছেন বান্দারবানে এনসিপিকে হারিয়েছেন সাচিং প্রু চেরি। চমক দিতে এবার খুলনা-১ আসনে কৃষ্ণ নন্দীকে প্রার্থী করেছিল জামাত। এই প্রথম কোনো হিন্দুকে প্রার্থী করেছিল তারা। তবে জামাতের সেই চমক কাজে লাগেনি। ৫০ হাজারের বেশি ভোটে কৃষ্ণকে হারিয়ে দিয়েছেন বিএনপির আমির এজাজ খান। এবারের নির্বাচনে ২২টি রাজনৈতিক দল ৬৭ জন সংখ্যালঘুকে প্রার্থী করেছিল। এছাড়া ১২ জন সংখ্যালঘু নির্দল হিসাবেও লড়াই করেছেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে হিন্দু সহ অন্য সংখ্যালঘুদের উপর চরম অত্যাচারের অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশে বরাবরই হিন্দুদের ভোট পেয়েছে আওয়ামি লিগ। কিন্তু এবার শেখ হাসিনার দল নির্বাচনে নিষিদ্ধ হওয়ায় সংখ্যালঘু ভোট কোনদিকে যাবে, সেদিকে নজর ছিল সকলের। সংখ্যালঘুদের মন জিততে প্রচারে খামতি রাখেনি বিএনপি। ছ’জন সংখ্যালঘুকে প্রার্থীও করে তারা। তাঁদের মধ্যে চারজনই জয় ছিনিয়ে এনেছেন। আতঙ্কে হিন্দু ভোটাররা বুথ পর্যন্ত আসবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় ছিলই। তার মধ্যে আওয়ামি লিগও ভোট বয়কটের ডাক দিয়েছিল। তবে বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, বহু জায়গাতেই দলে দলে ভোট দিয়েছেন হিন্দুরা। এদের বড়ো অংশই বিএনপিকে ভোট দিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে, বাগেরহাট-১ আসনে বিএনপির কপিলকৃষ্ণ মণ্ডল ৩০ শতাংশ ভোট পেয়েও হেরে গিয়েছেন। বাগেরহাট-৪ আসনেও বিএনপির সোমনাথ দে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন।