সংবাদদাতা, তুফানগঞ্জ: গ্রেপ্তার করা হল তৃণমূলের তুফানগঞ্জ-২ ব্লকের প্রাক্তন অঞ্চল সভাপতি নীহার বড়ুয়াকে। তিনি তৃণমূলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি তথা কোচবিহার জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ চৈতি বর্মন বড়ুয়ার ছেলে। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর রাজ্যে রাজনৈতিক পালা বদল হতেই গা ঢাকা দিয়েছিলেন নীহার। যদিও শেষ রক্ষা হল না। গতকাল অর্থাৎ বুধবার রাতে তাঁকে আলিপুরদুয়ার জেলার কামাখ্যাগুড়ি থেকে বক্সিরহাট থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করে। নীহারের গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই এদিন বক্সিরহাট ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভিড় জমান বিজেপির কর্মীরা। যদিও পরবর্তীতে অপ্রীতিকর কোনওরকম ঘটনা এড়াতে তাঁকে তুফানগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর ব্যবস্থা করানো হয়। এরপর ধৃতকে তুফানগঞ্জ মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস, বাড়িঘর ভাঙচুর, চুরির মতো একাধিক অভিযোগ রয়েছে। বিজেপির তুফানগঞ্জ বিধানসভার কনভেনার বিমল পাল বলেন, নীহার একাধিক দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। জোর করে তোলা আদায় করত বলেও অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া ভোটের আগে বিজেপি কর্মীদের মারধর, বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে। এলাকায় কোনও মিটিং মিছিল করতে দিত না আমাদের। এখন তার ফল ভুগবে। এই ব্যাপারে তৃণমূলের তুফানগঞ্জ ২ ব্লকের প্রাক্তন সভাপতি তথা বর্তমান জেলা পরিষদের কর্মাধক্ষ্য চৈতি বর্মন বড়ুয়া বলেন, ওর বিরুদ্ধে যে সমস্ত অভিযোগ করা হচ্ছে তা পুরোপুরি ভিত্তিহীন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরেই বিজেপির নির্দেশে নীহারকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তুফানগঞ্জ মহকুমা আদালতের সরকারি আইনজীবী সঞ্জীব কুমার বর্মন বলেন, ধৃতকে আদালতে পেশ করা হলে বিচারক ৭ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।