নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: নোয়াপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক মঞ্জু বসুর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বললেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংসদ পার্থ ভৌমিকের ফোনের মাধ্যমে মঞ্জু বসুর সঙ্গে কথা বলেন অভিষেক। কিন্তু ‘অভিমানী’ মঞ্জু বসু তাঁকে বলেছেন, ‘বিকাশ বসুর রক্তে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় তৃণমূলের জন্ম হয়েছিল। ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার নাম প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করেন। ২০২১ সালে প্রথম আমি তৃণমূলের বিধায়ক হই। ২৮ হাজার ভোটে জিতেছি। এবারও লোকসভায় তৃণমূল ১২ হাজার ভোটে লিড দিয়েছে নোয়াপাড়া থেকে। সেদিন ধরনা মঞ্চে আমি অপমানিত হয়েছি। আমি তাই রাজনীতি থেকে বিদায় নিলাম।’ এমনটাই দাবি মঞ্জুদেবীর। সেই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, অভিষেক ওই ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু তিনি যে আর রাজনীতিতে যুক্ত হতে চান না, সেই কথাই জানিয়ে দিয়েছেন। মঞ্জু বসুর নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রে এবার বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন অর্জুন সিং। মঞ্জুদেবীর স্বামী বিকাশ বসুকে খুনের অভিযোগ ছিল তাঁরই বিরুদ্ধে। এই অবস্থায় উত্তর বারাকপুর পুরসভার চেয়ারম্যান মলয় ঘোষকে সঙ্গে নিয়ে শুক্রবার সকালে তাঁর বাড়ি যান সাংসদ পার্থ ভৌমিক। তাঁকে সামগ্রিক পরিস্থিতি বোঝান। তরুণ প্রজন্মের ছাত্র প্রতিনিধি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যকে আশীর্বাদ করার জন্য বলেন। পরে পার্থবাবু বলেন, ‘বউদির শরীর খারাপ। বয়স হয়েছে। তাঁর কাছে দল কৃতজ্ঞ।’ তৃণমূল প্রার্থী তৃণাঙ্কুরও তাঁর বাড়িতে গিয়ে প্রণাম করে আশীর্বাদ চেয়েছেন। কিন্তু তাতেও বরফ গলেনি বলে খবর। ইতিমধ্যে তিনি তাঁর বাড়ি রামকৃষ্ণ মিশনকে দিয়ে দিয়েছেন। রাজনীতি আর করবেন না বলে পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন। এদিকে, উত্তর বারাকপুর পুরসভার সব কাউন্সিলারকে নিয়ে এদিন বৈঠক করেন পার্থ ভৌমিক। সেখানে নোয়াপাড়ায় প্রচারের কৌশল ঠিক হয়।



