Bartaman Logo
১ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সচিব পদ থেকে সরানো হল প্রাক্তন মন্ত্রীর মেয়েকে, থেকে গেলেন সভাপতি

প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের মেয়ে প্রিয়দর্শিনী মল্লিককে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সচিব পদ থেকে ‘রিলিজ’ দিল বিকাশ ভবন। শুক্রবার তিনি আশুতোষ কলেজের সহকারী অধ্যাপক হিসাবে কাজে যোগ দিয়েছেন।

সচিব পদ থেকে সরানো হল প্রাক্তন মন্ত্রীর মেয়েকে, থেকে গেলেন সভাপতি
  • ১৬ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের মেয়ে প্রিয়দর্শিনী মল্লিককে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সচিব পদ থেকে ‘রিলিজ’ দিল বিকাশ ভবন। শুক্রবার তিনি আশুতোষ কলেজের সহকারী অধ্যাপক হিসাবে কাজে যোগ দিয়েছেন। তবে, তাৎপর্যপূর্ণভাবে সভাপতি পার্থ কর্মকারকে এখনো সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়নি শিক্ষাদপ্তর। তাই এ নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে শিক্ষাক্ষেত্রে। বৃহস্পতিবার ছিল উচ্চ মাধ্যমিকের ফল ঘোষণা। তার আগেই সভাপতির বিরুদ্ধে কিছু বহিরাগত লোক পোস্টার সাঁটিয়ে আসে সংসদের দেওয়ালে। তা অবশ্য পরে খুলে ফেলা হয়। কিছুদিন আগে সংসদের ভিতরে একই ধরনের পোস্টার পড়েছিল সচিবের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে সচিব এবং সভাপতির মধ্যে একটা টানাপোড়েন চলছিল বলে খবর। দু-পক্ষই একে অপরকে এ নিয়ে দোষারোপ করেছেন বলে ওয়াকিবহাল মহলের মত। ফল প্রকাশের পরে, বিকেলের দিকে সভাপতি এবং সচিব দুজনেই বিকাশ ভবন যান। তবে, সূত্রের খবর, তখন তাঁদের রিলিজ লেটার দেওয়া হয়নি। সচিব নিজের উদ্যোগেও রিলিজ লেটারের বিষয়ে খোঁজ নেন বলে বিকাশভবনের এক সূত্রের দাবি। তবে, পরবর্তীতে সভাপতি নিজে সচিবের রিলিজ লেটারটি নিয়ে গিয়ে সংসদে তাঁকে দেন। তবে, সেই চিঠি আসল কি না তা নিয়ে সন্দেহ হওয়ায় সেটি সচিব গ্রহণ করতে চাননি বলে খবর। তবে, সচিবের ঘর বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। তার পালটা হিসাবে থানায় অভিযোগ জানানোর হুঁশিয়ারি দেন সচিব। তবে, শুক্রবার রাত থেকেই সচিবকে অপসারণের একটি চিঠি ভাইরাল হয়ে পড়ে। তবে, সচিব-ঘনিষ্ঠ শিবিরের দাবি, তিনি নিজেই বিকাশ ভবনে গিয়ে রিলিজ লেটার নিয়ে এসেছেন। আপাতত থাকছেন সভাপতি। সংসদের একাংশের যুক্তি, সচিবের পদটি রাজনৈতিক নিয়োগ ছিল। আর সভাপতি ডব্লুবিইএস ক্যাডারের অধ্যাপক। সরকারি কর্মী। রিভিউ-স্ক্রুটিনির ফল প্রকাশ, কলেজে ভরতির সময় মার্কশিট নিয়ে সমস্যা, প্রভৃতি সংকটের কথা ভেবেই তাঁকে রেখে দেওয়া হয়েছে। সচিব না-থাকলে সভাপতি এই দায়িত্ব পালন করতে পারেন। যদিও, এই যুক্তিতে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি এবং সচিবকে রাখা হয়নি কেন, সে প্রশ্নও উঠছে।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ