Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

বেঙ্গালুরুতে প্রয়াত প্রাক্তন ফুটবলার ইলিয়াস পাশা

হাতে গনগনে মশাল। বুকে বারুদ। ইস্ট বেঙ্গল গ্যালারির পরিচিত মুখ নিতাইবাবু।

বেঙ্গালুরুতে প্রয়াত প্রাক্তন ফুটবলার ইলিয়াস পাশা
  • ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০১
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: হাতে গনগনে মশাল। বুকে বারুদ। ইস্ট বেঙ্গল গ্যালারির পরিচিত মুখ নিতাইবাবু। তাঁর লাল-হলুদ জার্সিতে লেখা ইলিয়াস পাশার নাম। ইস্ট বেঙ্গলের প্রাক্তন অধিনায়ক পাশা ছিলেন তাঁর রোল মডেল। বৃহস্পতিবার বেঙ্গালুরুর বাড়িতে না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন পাশা (৬১)। ক্যানসারের সঙ্গে যুদ্ধ করছিলেন বহুদিন। ২৪ ঘণ্টা আগে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান তিনি। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। তাঁর প্রয়াণে শোকের ছায়া ময়দানে। বেঙ্গালুরুতে পাশার বাড়িতে গিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান ইস্ট বেঙ্গল কর্মসমিতির এক সদস্য। দুঃসংবাদ শুনে ছুটে যান সারভানন, টমাস, রহমতুল্লার মতো প্রাক্তনীরাও। ইস্ট বেঙ্গল শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকারের মন্তব্য, ‘পাশার পরিবারের পাশে ইস্ট বেঙ্গল ছিল, আছে, থাকবেও। প্রাক্তন ফুটবলারদের নিয়ে দ্রুত প্রদর্শনী ম্যাচ আয়োজনের ভাবনা রয়েছে। প্রাপ্ত অর্থ তুলে দেওয়া হবে ওঁর পরিবারের হাতে।’ মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য বললেন, ‘বড় ফুটবলার। নিপাট ভদ্র। মুখে টুঁ শব্দ ছিল না।’ এদিন পাশার প্রয়াণে ইস্ট বেঙ্গল প্র্যাকটিসের আগে নীরবতা পালন করা হয়।

Advertisement

১৯৯০ সালে মহমেডান স্পোর্টিং থেকে ইস্ট বেঙ্গলে যোগ দেন এই রাইট উইং ব্যাক। অল্প সময়েই নজর কাড়েন তিনি। ১৯৯৩ সালে লাল-হলুদের অধিনায়কও হন পাশা। তাঁর নেতৃত্বে কাঠমান্ডুতে ওয়াই ওয়াই কাপ চ্যাম্পিয়ন হয় মশালবাহিনী। এএফসি কাপে ইরানের আল জাওরাকে ৬-২ গোলে চূর্ণ করার ম্যাচ সমর্থকরা কখনও ভুলবেন না। সেই দলের অধিনায়ক ছিলেন পাশাই। ১৭ নম্বর জার্সিতে টানা ৮ বছর ইস্ট বেঙ্গল রক্ষণে ভরসা জুগিয়েছেন তিনি। ক্রমাগত ওভারল্যাপে কার্যত উইং হাফের ভূমিকাও পালন করতেন। শুধু ইস্ট বেঙ্গলে খেলার জন্যই এফসিআইয়ের চাকরি ছেড়ে দেন তিনি। পরবর্তীতে আর্থিক কষ্টে পড়তে হয় তাঁর পরিবারকে। জাতীয় দলে  খেলার পাশাপাশি ফুটবল কেরিয়ারে পাঁচবার কলকাতা লিগ, আইএফএ শিল্ড ছাড়াও ডুরান্ড কাপ ও আরও বহু ট্রফি উপহার দেন ইস্ট বেঙ্গলকে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ