সংবাদদাতা, বারুইপুর: গাড়ির ফিনান্স-এর কাগজ জাল করে ৫ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এমন প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন দুর্গাপুর পুরসভার তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলার মানস রায় ও তাঁর ছেলে অভ্রনীল রায়। মানস রায় দুর্গাপুর পুরসভার ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার ছিলেন। বারুইপুর থানার এসআই দিব্যেন্দু পালের নেতৃত্বে পুলিসের বিশেষ টিম বুধবার রাতে দুর্গাপুরে তাঁর বাড়ি থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করে। ধৃতদের বৃহস্পতিবার বারুইপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক ছয় দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। গত ফেব্রুয়ারি মাসে বারুইপুর থানার সালেপুরের বাসিন্দা তমাল হালদার ওই কাউন্সিলার ও তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ করেছিলেন থানায়। তমাল হালদারের অভিযোগ, আমি পুরনো চার চাকার গাড়ি কেনাবেচার কাজ করি। আমাকে ৫ লক্ষ ৯০ হাজার টাকায় গাড়ি কেনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন ওই কাউন্সিলার। এতে আমি সম্মত হয়ে গাড়ি কিনে নিই। পাশাপাশি ওঁর ছেলে অভ্রনীলের অ্যাকাউন্টে টাকা দিয়ে দিই। আমাকে বলা হয়েছিল, এই টাকা দিয়ে ব্যাঙ্ক থেকে নেওয়া গাড়ি কেনার সব ঋণ শোধ করে দেওয়া হবে এবং ১৫ দিন পরে এই মর্মে ব্যাঙ্কের ‘এনওসি’ দেওয়া হবে। কিন্তু ‘এনওসি’ না পেয়ে ব্যাঙ্কে গিয়ে জানতে পারি, ওঁদের পাঠানো ব্যাঙ্কিংয়ের সব কাগজ জাল। অর্থাৎ গাড়ি কেনার ঋণের টাকা ব্যাঙ্কে আসলে শোধ করা হয়নি। কিন্তু ব্যাঙ্কের কাগজ জাল করে আমাকে বলা হয় যে, তা শোধ করা হয়েছে। এরপর মানস রায়েদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাঁরা আমাকে ২ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকার একটি চেক দেন, এবং বাকি টাকা দিয়ে গাড়িটি নিয়ে নেবেন বলে জানান। কিন্তু ওই চেকটিও বাউন্স করে ‘ইনসাফিসিয়েন্ট ফান্ড’-এর কারণে। তারপর থেকে ওরা আমার ফোন ধরাও বন্ধ করে দেয়।



