Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আউশগ্রামে জ্যান্ত মুরগির টোপ দিয়ে বড় খাঁচা, থানায় অভিযোগ বনদপ্তরের

আউশগ্রামের আদুরিয়া জঙ্গলের কুড়াল গ্রাম থেকে বড় খাঁচা উদ্ধারের ঘটনার রহস্যভেদে সক্রিয় হল বনদপ্তর।

আউশগ্রামে জ্যান্ত মুরগির টোপ দিয়ে বড় খাঁচা, থানায় অভিযোগ বনদপ্তরের
  • ৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কাটোয়া: আউশগ্রামের আদুরিয়া জঙ্গলের কুড়াল গ্রাম থেকে বড় খাঁচা উদ্ধারের ঘটনার রহস্যভেদে সক্রিয় হল বনদপ্তর। শনিবার দপ্তরের তরফে আউশগ্রাম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। জ্যান্ত মুরগির টোপ দেওয়া বড় খাঁচা কোথা থেকে এল, কারা সেই খাঁচা রাখল-এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে বনদপ্তর। বনকর্মীরা ইতিমধ্যে এজন্য স্থানীয় সোর্স কাজে লাগাতে শুরু করেছেন।

Advertisement


আদুরিয়া বিটের অফিসার পিনাকী ভট্টাচার্য বলেন, এটা সাধারণ খাঁচা নয়। সুন্দরবনে বাঘ বা জলপাইগুড়িতে লেপার্ড ধরার জন্য যে ধরনের খাঁচা ব্যবহার করা হয়, সেই খাঁচা পাতা হয়েছিল। আমরা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছি। কারা খাঁচা পাতল-তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।


শুক্রবার আউশগ্রামের কুড়াল গ্রামের জঙ্গল লাগোয়া আলু চাষের জমি থেকে ওই খাঁচা উদ্ধার হয়। তাতে একটি জ্যান্ত মুরগির টোপ দেওয়া হয়েছিল। বনদপ্তর জানিয়েছে, এধরনের খাঁচা আউশগ্রামের জঙ্গলে এর আগে দেখা যায়নি। কোথা থেকে এই খাঁচা এল-তা নিয়ে দপ্তরের আধিকারিকরা ধন্দে রয়েছেন। তাঁরা জানান, চোরাশিকারিরাই যে খাঁচা পেতেছিল, সেটা স্পষ্ট। কিন্তু কোন জন্তু শিকারের উদ্দেশ্যে তা পাতা হয়েছিল, সেটা এখনও জানা যায়নি।
আউশগ্রামের জঙ্গলে বিলুপ্তপ্রায় ধূসর নেকড়ের সংখ্যা এখন বেড়েছে। পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রাম ও পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুর, কাঁকসায় ধূসর নেকড়ের বাসস্থান গড়ে উঠছে। গতবছর পশ্চিম বর্ধমানে একটি নেকড়েকে পিটিয়ে মেরে ফেলার ঘটনা ঘটেছিল। তারপরই বনদপ্তর ও ‘উইংস’ নামে একটি সংস্থা ওই নেকড়ের সংখ্যা গণনার জন্য যৌথ সমীক্ষা শুরু করেছে। জঙ্গলের বিভিন্ন এলাকায় ট্র্যাপ ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। নেকড়ে বা বুনো শুয়োর ধরতে ওই খাঁচা পাতা হয়েছিল কি না-বনদপ্তর সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে। দপ্তরের এক আধিকারিক জানান, ওই ধরনের খাঁচা সাধারণত শুধু বনদপ্তরের কাছেই থাকে। এর সঙ্গে বড়সড় কোনও পাচারচক্র জড়িত কি না-সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ