Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

৮৩ বছর ধরে আমতা খড়িয়পের জমিদার বসুবাড়িতে মহরমের তাজিয়া আনাই রীতি

মহরমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হল তাজিয়া। দীর্ঘ ৮৩ বছর ধরে এই তাজিয়া বাড়িতে বহন করে আনা অতিথিদের আপ্যায়ন করে চলেছেন আমতার খড়িয়পের জমিদার বসুবাড়ির সদস্যরা।

৮৩ বছর ধরে আমতা খড়িয়পের জমিদার বসুবাড়িতে মহরমের তাজিয়া আনাই রীতি
  • ৭ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: মহরমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হল তাজিয়া। দীর্ঘ ৮৩ বছর ধরে এই তাজিয়া বাড়িতে বহন করে আনা অতিথিদের আপ্যায়ন করে চলেছেন আমতার খড়িয়পের জমিদার বসুবাড়ির সদস্যরা। এই বছরও তার কোনও ব্যতিক্রম হয়নি। রবিবারেও সেই রকম খড়িয়প দক্ষিণপাড়ার ২টি তাজিয়া বসুবাড়িতে আসে। প্রাচীন রীতিনীতি মেনে এদিন তাজিয়ে নিয়ে আসা অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয়।

Advertisement

জেলার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী এই অনুষ্ঠান দেখতে এদিন খড়িয়প বসুবাড়িতে হাজিয়ে হয়েছিলেন আমতার বিধায়ক সুকান্ত পাল। খড়িয়পের এই জমিদারবাড়ি ৫০০ বছরেরও বেশি প্রাচীন। বসু পরিবার সূত্রে খবর, জমিদার বংশের শেষ জমিদার রবীন্দ্রনাথ বসুর আমল থেকেই বাড়িতে তাজিয়া আনার রীতি চালু হয়। তারপর দীর্ঘ ৮৩ বছর ধরে এই রীতি মেনে মহরমের দিন গ্রামের একাধিক তাজিয়া বসুবাড়িতে আনা হয়। 
রবীন্দ্রনাথ বসুর পুত্র চুনীলাল বসু জানান, অতীতে একবার আমার দাদা-দিদিরা বাবার কাছে তাজিয়া দেখার জন্য বায়না করেছিলেন। তখন থেকেই মহরমের দিন বাড়িতে তাজিয়া নিয়ে আসা শুরু। আগে বাড়িতে একটাই তাজিয়া আসত। তবে এখন সংখ্যাটা বেড়েছে।
তিনি জানান, আমাদের বাড়ির সামনে একটা বড় চাতাল আছে। আগে পূর্বপুরুষরা ওই চাতালে বসেই গল্পগুজব করার পাশাপাশি অতিথি আপ্যায়ন করতেন। সেই চাতালে এখনও তাজিয়া এনে রাখা হয়। যাঁরা তাজিয়া নিয়ে আসেন, তাঁরা গানও করেন। আমরাও আমাদের সাধ্যমতো অতিথি আপ্যায়ন করে থাকি। তাজিয়া দেখতে গ্রামের প্রচুর বাসিন্দা এখনও এই বাড়িতে হাজির হন।  নিজস্ব চিত্র      

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ