Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জন পরিষেবার মাসিক রিপোর্ট পেশ করতে সক্রিয় খাদ্যদপ্তর

সরকারি দপ্তরগুলির বিভিন্ন পরিষেবা সাধারণ মানুষ যাতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পান তার জন্য তৃণমূল সরকার জন পরিষেবা অধিকার আইন চালু করে।

জন পরিষেবার মাসিক রিপোর্ট পেশ করতে সক্রিয় খাদ্যদপ্তর
  • ১৭ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সরকারি দপ্তরগুলির বিভিন্ন পরিষেবা সাধারণ মানুষ যাতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পান তার জন্য তৃণমূল সরকার জন পরিষেবা অধিকার আইন চালু করে। এই আইন অনুযায়ী সরকারি দপ্তরগুলি প্রতিমাসে পরিষেবা প্রদান সংক্রান্ত অভিযোগ নিষ্পত্তির কী ব্যবস্থা নিয়েছে, তার বিস্তারিত রিপোর্ট উপভোক্তা দপ্তরে জমা দেওয়ার কথা। কিন্তু খাদ্যদপ্তর থেকে তা ঠিকমতো জমা পড়ছে না। অভিযোগ করেছে উপভোক্তা দপ্তর। এরপর খাদ্যদপ্তর নড়েচড়ে বসেছে। রিপোর্ট নিয়মিত জমা দেওয়ার জন্য কড়া নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

Advertisement

খাদ্যদপ্তরের চারটি পরিষেবা জন অধিকার আইনের আওতাভুক্ত। সেগুলি হল—নতুন রেশন কার্ড, রেশন কার্ডে পরিবর্তন, রেশন দোকানের পরিবর্তন এবং রেশন কার্ড সারেন্ডার। এই চারটি পরিষেবা সংক্রান্ত আবেদনের নিষ্পত্তির সময়সীমাও আইনে নির্দিষ্ট করা আছে। প্রথম তিনটি পরিষেবার জন্য ৬০ দিন এবং শেষোক্তটির জন্য ৩০ দিনের সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। আবেদন বাতিল করা হলে তার কারণও জানাবে কর্তৃপক্ষ। আবেদনের নিষ্পত্তি নির্দিষ্ট সময়ে না-হলে নাগরিককে তার জন্য অভিযোগ জানানোরও অধিকার দিয়েছে এই আইন। তিনটি স্তরে খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিতে হবে দপ্তরকে। তার জন্য তিনজন আধিকারিককে নিযুক্ত করতে বলা আছে। খাদ্যদপ্তর থেকে দপ্তরের ডিরেক্টর রেশনিং এবং ডিরেক্টর ডিডিপিএস’কে সম্প্রতি এই ব্যাপারে চিঠি পাঠানো হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত তিন আধিকারিক নির্দিষ্ট রেজিস্টারে অভিযোগ নথিবদ্ধ রাখবেন। নির্দিষ্ট ফর্ম্যাটে প্রতিমাসে জমা পড়া অভিযোগের রিপোর্ট উপভোক্তা দপ্তরে পাঠানো চাই। কিন্তু উপভোক্তা দপ্তর অনেকদিন ধরে জানাচ্ছে, ওই রিপোর্ট তারা পাচ্ছে না। ৭ জুলাই এক ভিডিও কনফারেন্সে দপ্তর এই অভিযোগ তুলেছে। তার প্রেক্ষিতে জুনের রিপোর্ট যাতে ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে জমা পড়ে তারই নির্দেশ দিয়েছে খাদ্যদপ্তর। রিপোর্ট পরের মাস থেকে অবশ্যই ১০ তারিখের মধ্যে ই-মেলে এবং হার্ড কপি পাঠাতে হবে।

সম্পর্কিত সংবাদ