নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি রেশনের কেরোসিনের বর্ধিত ইস্যু প্রাইস সেপ্টেম্বর মাসে দেরিতে ঘোষণা করেছে। এতে সমস্যায় পড়েছে খাদ্যদপ্তর। কারণ মাসিক বরাদ্দের ৩৫ শতাংশ কেরোসিন বণ্টনের জন্য এজেন্ট-হোলসেলারদের কাছে মাসের শুরুতেই চলে গিয়েছে এবং তা আগের দামে। আগে বেরিয়ে যাওয়া কেরোসিন গ্রাহকরা যাতে পুরানো দামেই পান তার জন্য সক্রিয় হতে হয়েছে খাদ্যদপ্তরকে।
বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য কয়েকদিন আগে খাদ্যদপ্তরে একটি বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের প্রতিনিধিরা ছিলেন। জানানো হয়েছে, ১-১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যে কেরোসিন বেরিয়েছে তা আগের দাম অনুযায়ী বেচতে হবে। এই নির্দেশ মানা হচ্ছে কি না তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি প্রতিমাসের শুরুতে ইস্যু প্রাইস জানায়। তার ভিত্তিতে বিক্রয় মূল্য ঠিক করে খাদ্যদপ্তর। ইস্যু প্রাইসের সঙ্গে পরিবহণ খরচ, ডিলার-এজেন্টের কমিশন, জিএসটি প্রভৃতি যোগ করেই বিক্রয় মূল্য নির্ধারিত হয়।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রক ১২ সেপ্টেম্বর তেল সংস্থাগুলিকে প্রতিমাসে ১০ শতাংশের মধ্যে দামবৃদ্ধির অনুমোদন দেয়। তার পরদিন বর্ধিত ইস্যু প্রাইস ঘোষণা করে তেল সংস্থাগুলি। প্রতি লিটারে বেড়েছে প্রায় সাড়ে ৫ টাকা। খাদ্যদপ্তরের বৈঠকের কার্যবিরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে, হাওড়া ডিপোয় দাম বাড়ানো হয়েছে লিটারে ৫ টাকা ৫৭ পয়সা। এর ফলে আগের তুলনায় কেরোসিনের খুচরো বিক্রয় মূল্য এমাসে লিটারে ৬ টাকার মতো বেড়েছে।