Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

স্টেট পুলের বকেয়া চাল পেতে সক্রিয় খাদ্য দপ্তর, চলতি মাসেই জমা দেওয়ার নির্দেশ মিলগুলিকে

চাষিদের কাছ থেকে কেনা ধান থেকে উৎপাদিত চাল সেন্ট্রাল পুলে যা দেওয়ার কথা তা মোটামুটি সম্পূর্ণ হয়েছে।

স্টেট পুলের বকেয়া চাল পেতে সক্রিয় খাদ্য দপ্তর, চলতি মাসেই জমা দেওয়ার নির্দেশ মিলগুলিকে
  • ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চাষিদের কাছ থেকে কেনা ধান থেকে উৎপাদিত চাল সেন্ট্রাল পুলে যা দেওয়ার কথা তা মোটামুটি সম্পূর্ণ হয়েছে। কিন্তু স্টেট পুলে এখনও রাইস মিলগুলির কাছে প্রচুর পরিমাণে চাল পাওনা আছে। আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময়ে খাদ্যদপ্তরের পর্যালোচনা বৈঠকের রিপোর্ট থেকে জানা যাচ্ছে, তখনও পর্যন্ত সব মিলিয়ে সেন্ট্রাল পুলে দেড় হাজার টনের মতো চাল দেওয়া বাকি ছিল। যেখানে স্টেট পুলে আরও প্রায় ৩ লক্ষ ৪৮ হাজার টন চাল দিতে হবে। যাতে পুরো চাল সরকারের ঘরে দ্রুত জমা পড়ে তার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

Advertisement

ওই বৈঠকের পর আরও চাল জমা পড়েছে। সেন্ট্রাল পুলের চাল প্রায় পুরোটাই চলে এসেছে। কিন্তু স্টেট পুলে এখনও প্রচুর পরিমাণে চাল সরকারের পাওনা আছে। পুরো চাল সেপ্টেম্বর মাসের শেষে পুজোর ছুটি শুরুর আগেই যাতে চলে আসে তার জন্য খাদ্যদপ্তর সক্রিয় হয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে জেলা খাদ্য নিয়ামকদের। রাইস মিল মালিকদের রাজ্য সংগঠনের সভাপতি আব্দুল মালেক জানান, সরকার গুদামে 
জায়গা দিতে না পারার জন্য মূলত পূর্ব বর্ধমান, হুগলি ও মুর্শিদাবাদ জেলায় চাল জমা দেওয়া বাকি আছে। 
খাদ্যদপ্তর সূত্রে অবশ্য বলা হচ্ছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চাল না পেলে সংশ্লিষ্ট রাইস মিলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চাষিদের কাছ থেকে ধান কেনার পর তা সরাসরি রাইস মিলে পাঠানো হয়। কোথা থেকে সংগৃহীত ধান কোন রাইস মিলে যাবে তা আগে থেকে নির্দিষ্ট থাকে। রাইস মিলে চাল উৎপাদন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর তা পর্যায়ক্রমে রাজ্য‌ সরকারের গুদামে পাঠানো হয়। ওই গুদাম থেকে চাল রেশন ব্যবস্থাসহ কয়েকটি সরকারি প্রকল্পে ব্যবহারের জন্য পাঠানো হয়। সেন্ট্রাল ও স্টেট পুলে কী হারে চাল দেওয়া হবে, তা নির্দিষ্ট করা থাকে। সেন্ট্রাল পুলের চাল থেকে জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্পের আওতাভুক্ত রেশন গ্রাহক ছাড়াও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র ও স্কুলের মিড ডে মিল প্রকল্পের জন্য চাল দেওয়া হয়। স্টেট পুলের চাল মূলত রাজ্য সরকারের নিজস্ব প্রকল্পের রেশন গ্রাহকদের জন্য পাঠানো হয়। সেন্ট্রাল পুলের চালের জন্য পুরো খরচ দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। গুদামে চাল ঢুকলে তবেই দাম পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করে তারা। চালের জন্য কোনও অগ্রিম টাকা রাজ্য সরকারকে দেওয়া হয় না। এই কারণে সেন্ট্রাল পুলের চাল আগে জমা করার উপর জোর দেয় রাজ্য সরকার। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ