নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী তীর্থস্থান, বিশেষ করে শক্তিপীঠ এবং চৈতন্য মহাপ্রভুর পদধূলিধন্য স্থানগুলিকে একত্রিত করে ‘বেঙ্গল শক্তিপীঠ সার্কিট’ এবং ‘চৈতন্য মহাপ্রভু তীর্থযাত্রা সার্কিট’ গড়ে তোলার ঘোষণা হল বাজেটে। সোমবার রাজ্য বাজেটে অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, ‘ক্লাস্টার্ড হাব অ্যান্ড স্পোক’ পদ্ধতির মাধ্যমে শক্তিপীঠের মন্দিরগুলিকে আধ্যাত্মিক পর্যটনের ক্ষেত্র হিসাবে গড়ে তোলা হবে। একটি প্রধান জেলা শহরকে কেন্দ্র করে একাধিক মন্দিরকে সংযুক্ত করে উপযুক্ত পর্যটন কর্মসূচি তৈরি করা হবে, যা ভ্রামরীদেবী, নন্দীকেশ্বরী, তারাপীঠ, বক্রেশ্বর, ফুল্লরা এবং কঙ্কালীতলা মন্দিরকে অন্তর্ভুক্ত করবে। অর্থমন্ত্রীর আরও ঘোষণা, চৈতন্য মহাপ্রভু এবং তাঁর সামাজিক-ধর্মীয় চিন্তাভাবনার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি হিসাবে ‘চৈতন্য মহাপ্রভু তীর্থযাত্রা সার্কিট’ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর আওতায় একটি প্রধান জেলা শহরকে কেন্দ্র করে একাধিক স্থানকে সংযুক্ত করে পর্যটন ভ্রমণসূচি তৈরি হবে। মায়াপুরকে একটি অনন্য পর্যটন স্থান হিসাবে গড়ে তোলা হবে। এই উদ্দেশ্যে আগামী তিন বছরে ১,০০০ কোটি টাকা খরচের প্রস্তাব রেখেছেন স্বপনবাবু।



