পাটনা: বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে বিহারে। রাজ্যের ১১টি জেলার ১৯ লক্ষের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। এরই মধ্যে পাটনায় নতুন করে জলস্তর বাড়তে শুরু করেছে গঙ্গায়। তার জেরে নদীর নিম্নধারায় সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। এক আধিকারিক জানিয়েছেন, একটানা বৃষ্টিতে জলস্তর বাড়ছে। পাটনার গান্ধী ঘাটে গঙ্গার জল বিপদসীমা ছুঁয়ে ফেলেছে। ডুমারিঘাট ও হাজিপুরে গণ্ডক নদী, খাগারিয়ায় বুধি গণ্ডকেও এক পরিস্থিতি। মুঙ্গের, বক্সার, কাহালগাঁও, ভাগলপুর ও হাতিদাহতেও গঙ্গা নদী ফুঁসছে। ফলে আগামী তিনদিনে বন্যা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা আধিকারিকদের। যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে স্থানীয় প্রশাসনকেও তৈরি থাকতে বলা হয়েছে। উদ্ধার কাজে ১ হাজর ৩৪৫টি নৌকা নামানো হয়েছে। রাজ্য ও কেন্দ্রের তরফে যথাক্রমে ২৭ ও ১০টি বিপর্যয় মোকাবিলা দল মোতায়েন করা হয়েছে বিভিন্ন জেলায়। পাটনা-গয়া সেকশনে পুনপুন ও পার্সাবাজারের সংযোগকারী ২১ নম্বর সেতু নীচে জল বিপজ্জনক স্তরে রয়েছে। তাই বেশ কিছু ট্রেন বাতিল বা ঘুরপথে চালানো হতে পারে বলে জানিয়েছে পূর্ব-মধ্য রেলওয়ে। বিহার বন্যা পরিস্থিতিকে ‘জাতীয় বিপর্যয়’ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে বিরোধীরা।



