Bartaman Logo
২৫ আগস্ট, ২০২৬

অযোধ্যায় হাত শিবিরের ভোজসভায় মাছ! নিন্দায় সরব যোগী আদিত্যনাথ

মন্দির শহর অযোধ্যায় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অজয় রাইকে স্বাগত জানাতে আয়োজিত ভোজসভা। আর কংগ্রেসের এই ভোজসভায় মাছের পদ পরিবেশনের অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে। কংগ্রেস ও বিজেপির বাগযুদ্ধে সরগরম উত্তরপ্রদেশের রাজনীতি।

অযোধ্যায় হাত শিবিরের ভোজসভায় মাছ! নিন্দায় সরব যোগী আদিত্যনাথ
  • ২৫ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

অযোধ্যা ও লখনউ: মন্দির শহর অযোধ্যায় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অজয় রাইকে স্বাগত জানাতে আয়োজিত ভোজসভা। আর কংগ্রেসের এই ভোজসভায় মাছের পদ পরিবেশনের অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে। কংগ্রেস ও বিজেপির বাগযুদ্ধে সরগরম উত্তরপ্রদেশের রাজনীতি।

Advertisement

যে শহরে রামমন্দির ও প্রভু রামের ‘আবাস’ রয়েছে, সেই অযোধ্যায় মৎস্য সহযোগে কংগ্রেসের ভোজসভা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ সহ বিজেপির নেতারা। ক্ষমতাসীন দলের অভিযোগ, শ্রাবণ মাস শেষ না হওয়া সত্ত্বেও যেভাবে মাছ খাওয়া হয়েছে, তাতে মানুষের আবেগে ধাক্কা লেগেছে। তবে কংগ্রেস সাংসদ পবন খেরার বক্তব্য, উত্তরপ্রদেশে দলের প্রদেশ সভাপতি অজয় রাই নিরামিষাশী। প্রশ্নপত্র ফাঁস ও রামমন্দিরের প্রণামি চুরির মতো ইস্যুগুলি থেকে মানুষের নজর ঘোরাতে চাইছে বিজেপি। আর অজয় রাই সাংবাদিকদের বলেছেন, আমি মাছ খাচ্ছি এমন একটা ছবিও বিজেপি নেতারা দেখাতে পারলে আমি সানন্দে পদত্যাগ করব। মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে রাই বলেন, মুখ্যমন্ত্রী ছবি দেখাতে না পারলে তাঁর পদত্যাগ করা উচিত। গেরুয়া বসন পরে তিনি রোজ মিথ্যা বলেন।
দুই দলের বাগযুদ্ধের মধ্যেই অবশ্য ওই ভোজসভার বেশ কিছু ছবি সামনে এসেছে। কোনোটায় দেখা যাচ্ছে, মাছ, পেঁয়াজ ও সবজি কাটা চলছে। কোথাও আবার দেখা যাচ্ছে, বড়ো একটি পাত্রে ভাজা মাছ রাখা। ভোজসভার জায়গায় বড়ো তাঁবু। রান্নার জায়গাটি কাপড় ঝুলিয়ে পৃথক করা হয়েছে। ভোজসভায় মাছের পদ পরিবেশিত হচ্ছে শুনে প্রথমে স্থানীয় কিছু মানুষ প্রতিবাদ করেন বলে অভিযোগ। পরে বিজেপি সুর চড়ায়। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, আপনারা নিশ্চয়ই দেখেছেন কংগ্রেস সদস্যরা কীভাবে আমাদের ঐতিহ্যের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করে। কংগ্রেস সভাপতি হনুমান গড়ি মন্দিরে প্রার্থনা করতে অযোধ্যায় যান এবং তারপর মাছের ভোজসভা করেন। তাঁরাই আবার ‘রাম রাম’ ধ্বনি দিচ্ছেন, নির্লজ্জতারও একটা সীমা আছে।
ভোজসভাটি আয়োজন করেছিলেন কংগ্রেস নেতা রামনিহাল নিষাদ। অতিথিদের মাছের পদ খাওয়ার পক্ষে পালটা যুক্তি দিয়েছেন তিনি। বিজেপি নেতাদের প্রতি এই কংগ্রেস নেতার প্রশ্ন, কোন আইনে মাছ খাওয়া বেআইনি? খাবারে কীসের সমস্যা? আমরা মাছ খেতে পারব না কেন? ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি সংবিধান কার্যকর হওয়ার পর থেকে যে কেউ যেকোনো খাবার খেতে পারেন। মৎস্যচাষ ও মাছ খাওয়া আমাদের নিষাদ সম্প্রদায়ের ঐতিহ্য।   

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ