কালীপুজোর রাতে বাজি পোড়ানো  যাবে দু’ঘণ্টা, বার্তা পরিবেশ মন্ত্রীর, ফানুসের অনুমতি দেবে দমকল, জানাল পর্ষদ
  • ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ফানুস ওড়ানো নিয়ে ধোঁয়াশা এখনো কাটল না। ফানুস ওড়ানোর জন্য কে, কীভাবে ও কোথা থেকে অনুমতি নেবেন, সেই বিষয়ে দমকলই সিদ্ধান্ত নেবে, এমনটাই জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ দূষণ নিয়ন্ত্রণ। তবে তাঁরা শুক্রবারের সাংবাদিক সম্মেলন থেকে স্পষ্ট করেছে, কালীপুজো অর্থাত্ ৮ তারিখ রাতে শুধুমাত্র রাত ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সবুজ বাজি পোড়ানো যাবে। তার বাইরে কেউ বাজি পোড়ালে তা, নয়া সরকার বরদাস্ত করবে না।

Advertisement

এদিন সল্টলেকের পরিবেশ ভবন থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করেন রাজ্যের বন ও পরিবেশ দপ্তরের মন্ত্রী মনোজকুমার ওরাওঁ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের সদস্য-সচিব অশোকপ্রতাপ সিং এবং পরিবেশ দপ্তরের সচিব সুমিত গুপ্তা। মন্ত্রী জানিয়েছেন, বাজি পোড়ানোর সময়সীমা কঠোরভাবে মানতে হবে। ৮ নভেম্বর রাত ৮টা থেকে ১০টা ও ছটপুজোর দিন সকাল ৬টা থেকে ৮টা পর্যন্ত বাজি পোড়ানো যাবে। তিনি আরও বলেন, হাসপাতাল, বৃদ্ধাশ্রম প্রভৃতি এলাকার ১০০ মিটারের মধ্যে বাজি পোড়ানো যাবে না। তাঁর আরজি, গৃহপালিত পশুদের কথা খেয়াল রাখতে হবে। আগের অভিজ্ঞতা মোটেই ভালো নয়। অন্যের ক্ষতি না-করে, আনন্দ করতে হবে। 
সাংবাদিক সম্মেলন থেকে আরও জানানো হয়, ফানুস বা বায়ুবেলুন অনুমতি ছাড়া ওড়ানো যাবে না। প্রশ্ন উঠছে, একজন সাধারণ মানুষ পাড়ার দোকান থেকে ফানুস কিনে ওড়ানোর জন্য কোথা থেকে অনুমতি নেবেন? এই প্রশ্নের উত্তরে আধিকারিকরা বলেন, এই বিষয়টি নিয়ে দমকল সিদ্ধান্ত নেবে। আধিকারিকরা বলেন, অনুমতির বিষয়টি দমকলের সঙ্গে আলোচনা করে তারপরেই জানাতে পারবেন। আজ, শনিবার শহরের বিভিন্ন আবাসনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন প্রশাসনিক কর্তারা। মন্ত্রী জানিয়েছেন, ৭, ৮ ও ৯ নভেম্বর দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের দপ্তরে কন্ট্রোল রুম খোলা থাকবে। কন্ট্রোল রুমের নম্বর ০৩৩২২০২৩০৫৭, ১৮০০৩৪৫৩৩৯০। কালীপুজোর দিন মোবাইল পেট্রল টিম বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি চালাবে। সমস্ত এলাকার জেলাশাসক ও পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তাদেরও অ্যালার্ট থাকতে বলা হয়েছে। এর পাশাপাশি আরও জানানো হয়েছে, এবছর সবুজ বাজি চিহ্নিতকরণের জন্য কোনো কিউআর কোড থাকবে না। ফলে নিরির ওয়েবসাইটে তালিকাভুক্ত কোম্পানির নাম দেখেই সবুজ বাজি কেনা যাবে।