Bartaman Logo
১৬ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

যুবভারতী কাণ্ডে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর নামে এফআইআর

যুবভারতীতে মেসি-কাণ্ডে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের নামে এফআইআর দায়ের করল বিধাননগর দক্ষিণ থানা। সেইসঙ্গে তাঁকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রক্রিয়াও শুরু করতে চলেছে পুলিশ।

যুবভারতী কাণ্ডে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর নামে এফআইআর
  • ৩১ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: যুবভারতীতে মেসি-কাণ্ডে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের নামে এফআইআর দায়ের করল বিধাননগর দক্ষিণ থানা। সেইসঙ্গে তাঁকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রক্রিয়াও শুরু করতে চলেছে পুলিশ। মেসির ‘গোট’ কনসার্টের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত বিধাননগর দক্ষিণ থানায় আলাদাভাবে একটি অভিযোগ জানান। যেখানে শুধুমাত্র প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই মেসি-কাণ্ডে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর নামে এফআইআর করা হল শনিবার। তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণা, ষড়যন্ত্র, ভয় দেখানো সহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

Advertisement

ঘটনার সূত্রপাত্র গত ১৩ ডিসেম্বর। ওই দিন যুবভারতীতে কিংবদন্তি ফুটবলার লায়োনেল মেসিকে আনেন শতদ্রু দত্তর সংস্থা। এই অনুষ্ঠান ঘিরে অনুরাগীদের মধ্যে সকাল থেকেই উন্মাদনা ছিল তুঙ্গে। কিন্তু মেসি মাঠে প্রবেশ করতেই কার্যত তাঁকে ঘিরে ধরেন তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ও তাঁর টিম। মেসিকে জড়িয়ে পর্যন্ত ধরেন অরূপ। পাশাপাশি, অরূপবাবুর বাহিনীর দৌলতে বহু টাকা খরচ করে মেসিকে দেখতে আসা অনুরাগীরা ‘বঞ্চিত’ হন। ধৈর্যের বাঁধ ভাঙে মেসি ভক্তদের। তার পরেই চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তৈরি হয় যুবভারতীতে। কার্যত লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় গোটা স্টেডিয়াম। ভাঙচুর, বিক্ষোভ, চেয়ার-বোতল ছোড়া কিছুই বাদ যায়নি। গোটা দেশজুড়ে এই ঘটনা নিয়ে শোরগোল পড়ে যায়। তবে, বিশৃঙ্খলার সূচনালগ্নেই মাঠ ছেড়ে চলে যান মেসি। এরপরই মেসির অনুষ্ঠানের আয়োজক শতদ্রু দত্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তিনি জামিন পান। এরপর বাংলায় পালাবদল হয়েছে। তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একের পর এক আক্রমণ শানিয়েছেন শতদ্রুবাবু। অনুষ্ঠান পণ্ড করার নেপথ্যে অরূপ বিশ্বাসকেই দায়ী করেছেন আয়োজক শতদ্রু দত্ত। তাঁর অভিযোগ, অরূপ বিশ্বাসের মদতেই অবাঞ্ছিত লোকজন মেসিকে ঘিরে ধরেছিলেন। শুধু তাই নয়, অরূপবাবু জোর করে তাঁর কাছ থেকে ২২ হাজার টিকিটও নিয়ে নেন। রাজি না হওয়ায় তাঁকে বিভিন্নভাবে হুমকিও দেন তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী। এমনকি সেই কমপ্লিমেন্টারি টিকিট বিক্রি করা হয় বলেও অভিযোগ শতদ্রুর। 
পুলিশ সূত্রে খবর, কত টাকায় টিকিট বিক্রি হয়েছিল, এর সঙ্গে কাদের যোগ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোন অ্যাকাউন্টে কালোবাজারি টিকিটের টাকা গিয়েছে তাও জানতে প্রক্রিয়া শুরু করেছেন তদন্তকারীরা। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ