Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

ফের ব্যর্থ ফিন অ্যালেন খাতা খুলতে পারলেন না গ্রিনও, চেন্নাইয়ের কাছেও বশ মানল কেকেআর

চৈত্রের শেষটা দুঃস্বপ্নের মতোই হল কলকাতা নাইট রাইডার্সের। চিপকে মঙ্গলবার চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে শোচনীয়ভাবে ৩২ রানে পরাজিত হল শাহরুখের ফ্র্যাঞ্চাইজি

ফের ব্যর্থ ফিন অ্যালেন  খাতা খুলতে পারলেন না গ্রিনও, চেন্নাইয়ের কাছেও বশ মানল কেকেআর
  • ১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

চেন্নাই: চৈত্রের শেষটা দুঃস্বপ্নের মতোই হল কলকাতা নাইট রাইডার্সের। চিপকে মঙ্গলবার চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে শোচনীয়ভাবে ৩২ রানে পরাজিত হল শাহরুখের ফ্র্যাঞ্চাইজি। চলতি আসরে ৫ ম্যাচের ৪টিতেই হেরেছে নাইটরা। বৃষ্টির সৌজন্যে পকেটে মাত্র ১ পয়েন্ট। এমন পারফরম্যান্সের পর ক্যাপ্টেন অজিঙ্কা রাহানের ভবিষ্যৎ নিয়েও বাড়ছে জল্পনা। অথচ, বোলাররা দুশোর কমে আটকে রেখেছিলেন চেন্নাইকে। টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ১৯২ তোলে হোম টিম। জবাবে ২০ ওভারে ১৬০-৭ রানে থামে কলকাতা। এমন ভরাডুবির সত্যিই কোনও ব্যাখ্যা নেই। এখনও জয়ের দেখা নেই, প্লে-অফের আশা ক্রমশ দূরে সরছে নাইটদের। 

Advertisement

কলকাতা এদিন ওপেন করতে নামিয়েছিল সুনীল নারিনকে। কিন্তু তা কাজে আসেনি। ক্যারিবিয়ান ফেরেন ২৪ রানে। অবশ্য তার আগেই ডাগ-আউটের পথ ধরেন ফিন অ্যালেন। চলতি আসরে তাঁর রানগুলি এমন ৩৭, ২৮, ৬, ৯ ও ১। এরপরও কেন খেলানো হবে না টিম সেইফার্ট বা রাচীন রবীন্দ্রকে? হতাশ করলেন তিনে নামা রাহানে (২৮) ও চারে নামা অঙ্গকৃষ রঘুবংশী (২৭)। একসময় মনে হচ্ছিল দু’জনে টেস্ট খেলতে নেমেছেন। চেন্নাইয়ের দুই বাঁ-হাতি স্পিনার নুর আহমেদ ও আকিল হোসেন। ১১তম ওভারে পরপর দু’বলে রাহানে ও গ্রিনকে ফেরান নুর। যা হয়ে ওঠে বড় ধাক্কা। ২৫.২ কোটির অজি অলরাউন্ডার এদিন ছ’নম্বরে নেমেও ব্যর্থ। তাঁকে লুকানোর চেষ্টা কেন? তাঁর উপর যে টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থা নেই, তা স্পষ্ট। এরপরও তাঁকে খেলানো হবে কোন যুক্তিতে? রিঙ্কু সিংকেও (৬) দেখাচ্ছে অতীতের ছায়া। আর কবে রান করবেন তিনি? রভম্যান পাওয়েল (অপরাজিত ৩১), রামনদীপ (৩৫) দেড়শোর গণ্ডি পার করালেও কার্যত কেকেআর হেরে গিয়েছিল অনেক আগেই। চেন্নাইয়ের সফলতম বোলার নূর (৩-২১)।
তার আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ঝড়ের গতিতে শুরু করেছিল সিএসকে। সঞ্জু স্যামসন ইনিংসের প্রথম তিনটি বলই বাউন্ডারিতে পাঠান। আগের ম্যাচেই হাঁকিয়েছেন শতরান। সেই মেজাজেই ছিলেন গোড়া থেকে। তবে ক্যাপ্টেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের (৭) দুঃসময় অব্যাহত। বাঁ-হাতি স্পিনার অনুকূল রায়কে মারতে গিয়ে ক্যাচ তোলেন তিনি। চলতি আসরে ঋতুরাজের রানগুলি এমন ৬, ২৮, ৭, ১৫ ও ৭। নাইটরা এদিন নতুন বল তুলে দিয়েছিল ক্যামেরন গ্রিনের হাতে। পাওয়ার প্লে’র চতুর্থ ওভারে অজি অলরাউন্ডারকে দু’টি চার ও দু’টি ছক্কা হাঁকান তিনে নামা আয়ূষ মাত্রে। ১৭ বলে ৩৮ করে বড় ইনিংসের ভিত গড়ে দেন আয়ূষ। যেভাবে খেলছিলেন সঞ্জু তাতে লম্বা ইনিংসের প্রতিশ্রুতি ছিল। আয়ূষ ফেরার পর দলকে টানছিলেন তিনি। কিন্তু কার্তিক ত্যাগীর ঘণ্টায় ১৪৮ কিমি গতির এক্সপ্রেস ডেলিভারিতে বোল্ড হন সঞ্জু (৩২ বলে ৪৮)। পাওয়ার প্লে’র পর নাইট স্পিনাররা রানের গতিতে বাঁধ দেন। চতুর্থ উইকেটে  ব্রেভিস ও সরফরাজ ৫১ রান যোগ করেন। নারিনের বলে অফ স্টাম্প ছিটকে যায় সরফরাজের (১৮ বলে ২৩)। কার্তিক ত্যাগীর ওয়াইড ইয়র্কারের স্ট্র্যাটেজির শিকার হন ব্রেভিস (২৯ বলে ৪১)। কার্তিকই (২-৩৫) কলকাতার সফলতম বোলার। 

সম্পর্কিত সংবাদ