Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

আর্থিক অনিয়ম, ৭১ হাজার কোটি টাকার ‘ইউসি’ জমাই দেয়নি নীতীশ কুমার সরকার, তথ্য ক্যাগের

ভোটমুখী বিহারে বড়সড় আর্থিক অনিয়ম প্রকাশ্যে আনল কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (ক্যাগ)। সরকারি দপ্তরের হিসেব-নিকেশে নজর রাখে এই সংস্থা।

আর্থিক অনিয়ম, ৭১ হাজার কোটি টাকার ‘ইউসি’ জমাই দেয়নি নীতীশ কুমার সরকার, তথ্য ক্যাগের
  • ২৬ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

পাটনা ও নয়াদিল্লি: ভোটমুখী বিহারে বড়সড় আর্থিক অনিয়ম প্রকাশ্যে আনল কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (ক্যাগ)। সরকারি দপ্তরের হিসেব-নিকেশে নজর রাখে এই সংস্থা। তারা জানিয়েছে, প্রায় ৭১ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট (ইউসি) জমাই দেয়নি নীতীশ কুমার সরকার।

Advertisement

বৃহস্পতিবারই ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের ক্যাগ রিপোর্ট বিধানসভায় পেশ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, সঠিকভাবে ইউসি জমা দেয়নি রাজ্য। ফলে প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহার করা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষ পর্যন্ত ১৪ হাজার ৪৫২.৩৮ কোটি টাকার ইউসি বাকি ছিল। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের শেষে তা বেড়ে হয়েছে  ৭০ হাজার ৮৭৭.৬১ কোটি টাকার। এসংক্রান্ত প্রায় ৫০ হাজার রসিদ জমা দেয়নি সরকার। ক্যাগের এই তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই এনডিএর জোট শরিক জেডিইউকে কড়া আক্রমণ করেছে বিরোধীরা।

তথ্য বলছে, মূলত পাঁচটি দপ্তর থেকেই সিংহভাগ বরাদ্দের ইউসি মেলেনি। এরমধ্যে রয়েছে পঞ্চায়েতি রাজ (২৮ হাজার ১৫৪.১০ কোটি), শিক্ষা (১২ হাজার ৬২৩.৬৭ কোটি), নগরোন্নয়ন (১১ হাজার ৬৫.৫০ কোটি), গ্রামীণ উন্নয়ন (৭ হাজার ৮০০.৪৮ কোটি) ও কৃষিদপ্তর (দু’হাজার ১০৭.৬৩ কোটি)। ক্যাগ আরও জানিয়েছে, বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রিম হিসেবে বিপুল টাকা তোলা হয়েছিল। অ্যাবস্ট্র্যাক্ট কনটিনজেন্ট (এসি) বিলের মাধ্যমে সেই অর্থ তুলতে হয়। তারপর বিস্তারিত বিল (ডিটেইলড কনটিনজেন্ট বা ডিসি) জমা দিতে হয়। কিন্তু,  ২২ হাজার ২০৫টি এসি বিলের ভিত্তিতে তোলা ৯ হাজার ২০৫ কোটি টাকার ডিসি জমাই পড়েনি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই বিল জমা না পড়ার মানে সরকারি নিয়ম ভঙ্গ হয়েছে। এর ফলে মানুষের টাকা নয়ছয় হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ