Bartaman Logo
২৭ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বাজেট অধিবেশনে বোয়ালিয়া সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিলেন অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত বাজেট অধিবেশনে বোয়ালিয়া সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিলেন। স্থানীয়দের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন। বিস্তারিত পড়ুন।

বাজেট অধিবেশনে বোয়ালিয়া সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিলেন অর্থমন্ত্রী
  • ২৭ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: শ্যামপুরে বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে এসে বোয়ালিয়া সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিধানসভার বাজেট অধিবেশনে বক্তৃতায় ওই সেতু তৈরির বিষয়টি উত্থাপন করেছিলেন শ্যামপুরের বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়। সেইমতো অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত বোয়ালিয়া সেতু তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বিধায়কের উদ্যোগে প্রতিশ্রুতি পূরণের আশ্বাস মেলায় খুশি সাধারণ মানুষ। 

Advertisement

শ্যামপুর বিধানসভার দেওয়ানতলা এবং উলুবেড়িয়া দক্ষিণ বিধানসভার বোয়ালিয়ার মধ্যে দিয়ে বয়ে গিয়েছে দামোদর। এই জলপথ দিয়ে প্রতিদিন নৌকায় করে শ্যামপুর ২ নম্বর ব্লকের বেশ কয়েকটি অঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষ কলকাতা ও উলুবেড়িয়া শহরে যাতায়াত করেন। এমনকি, অনেক ছাত্রছাত্রীও এই পথ ব্যবহার করেন। এখানে যাতায়াতের একমাত্র ভরসা ইঞ্জিন চালিত নৌকা। শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা— সাইকেল বা বাইক নিয়ে নৌকায় করে দামোদর পারাপার করেন বহু মানুষ। যাতায়াতের এই সমস্যা দূর করতে বহুদিন আগেই পাকা সেতু নির্মাণের দাবি তুলেছিলেন স্থানীয়রা। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, নির্বাচনি বৈতরণী পার করতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল অতীতে সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু কথা রাখেনি। এবার ভোটের আগেও সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। হিরণ চট্টোপাধ্যায় বিধায়ক হওয়ার পর বোয়ালিয়া সেতু তৈরির উদ্যোগ নেওয়ায় আমরা খুশি। 
গ্রামবাসীদের বক্তব্য, জলপথে দিনে নৌকা পাওয়া গেলেও রাত ১০টার পর নৌকা পাওয়া মুশকিল। তখন অনেক ঘুরপথে যাতায়াত করতে হয়। এখানে পাকা সেতু নির্মাণ হলে শ্যামপুর ২ নম্বর ব্লকের আমড়দহ, ঘুঘুবেশিয়া, সীতাপুর দেওয়ানতলা সহ একাধিক অঞ্চলের মানুষের উপকার হবে। সেতু নির্মাণ প্রসঙ্গে শ্যামপুরের বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায় বলেন, প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে মায়ের হাত ধরে নৌকায় করে শ্যামপুরে আসতাম। আজও মানুষকে একইভাবে নদী পারাপার করতে হয়। ভোটের প্রচারে এসে অমিত শাহ বলে গিয়েছিলেন, আপনারা হিরণকে জয়ী করুন, আমি আড়াই বছরের মধ্যে এখানে পাকা সেতু তৈরি করে দেব। অমিত শাহজি, মুখ্যমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী কথা রেখেছেন এটাই আমার কাছে সব থেকে বড়ো পাওনা। যাতে সেতুটি দ্রুত নির্মাণ হয়, তার চেষ্টা চালাব।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ