


ঢাকা, ১১ জুলাই: হাসিনার আমলের সমস্ত নীতিই পরিবর্তন করেছে বাংলাদেশের বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকার। এবার আরও একটি বড় সিদ্ধান্ত নিল ইউনুস সরকার। বাংলাদেশের প্রশাসনে শীর্ষ স্থানে থাকা মহিলা আধিকারিকদের আর ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করা যাবে না। মহিলা আধিকারিকদের কী নামে ডাকা হবে সেই বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। একই সঙ্গে আওয়ামি লিগের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার জারি করা একাধিক নির্দেশ ও প্রটোকল খতিয়ে দেখতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেই কমিটির রিপোর্টের উপর ভিত্তি করেই ওই নিদের্শ ও প্রটোকলের ভবিষ্যত নির্ধারিত করা হবে বলে সূত্রের খবর। মহিলা আধিকারিকদের ‘স্যার’ সম্বোধনের বিষয়টি বাতিল করে একটি বিবৃতি জারি করেছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।
তাতে বলা হয়েছে, ‘শেখ হাসিনার প্রায় ১৬ বছরের শাসনে সরকারি নির্দেশিকা অনুসারে আধিকারিকদের তাঁকে ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করতে হতো। পরে সরকারের অন্য শীর্ষস্থানীয় মহিলা আধিকারিকদের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম চালু হয়। এমনকী আজও মহিলা আধিকারিকদের ওই শব্দ দিয়ে সম্বোধন করা হয়। এই ব্যবস্থা সামাজিক এবং প্রতিষ্ঠানগতভাবে যেমন যথাযথ নয়, তেমনই কাম্যও নয়।'
গতকাল, বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদ মহিলা আধিকারিকদের ‘স্যার’ সম্বোধনের নির্দেশনামা বাতিল করে দিয়েছে। এছাড়াও হাসিনার সরকারের সময়কালে জারি করা বিভিন্ন নির্দেশ ও প্রটোকলের দিকটি খতিয়ে দেখে সংশোধন প্রস্তাবের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেই কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন বিদ্যুৎ, সড়ক ও রেলপথ বিষয়ক উপদেষ্টা মহম্মদ ফাওজুল কবীর খান এবং পরিবেশ ও জলসম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তাঁরাই আগামী একমাসের মধ্যে একটি রিপোর্ট দেবেন বলে জানা গিয়েছে।