


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভারতীয় ফুটবলে কমার্শিয়াল পার্টনার বেছে নিতে দরপত্র আহ্বান করেছিল ফেডারেশন। কিন্তু কোনও সংস্থাই আগ্রহ দেখায়নি। তাই প্রবল চাপে সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থা। সুপার কাপের পর আদৌ বল গড়াবে তো? ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত সব মহলই উদ্বিগ্ন। ফেডারেশন সভাপতি কল্যাণ চৌবের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন ফুটবল প্রেমীরা। এমন পরিস্থিতিতে রবিবার ফের বৈঠকে বসেছিল অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি নাগেশ্বর রাওয়ের কমিটি। গোটা বিষয়টি দেশের সর্বোচ্চ আদালতে জানানো হবে। অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের অপেক্ষায় এআইএফএফ।
নয়া টেন্ডার অনুযায়ী বছরে ৩৭ কোটি টাকা চাইছে ফেডারেশন। অথচ কল্যাণ চৌবেদের সৌজন্যে ভারতীয় ফুটবলের ব্র্যান্ড ভ্যালুর অবস্থা করুণ। তাই এত টাকা খরচ করতে রাজি নয় কেউই। অভিজ্ঞ মহলের ধারণা, একমাত্র নিজস্ব শর্তেই রাজি হতে পারে এফএসডিএল। অন্য সমস্যাও রয়েছে। শীর্ষ লিগে অবনমন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবে রাজি নয় অধিকাংশ ফ্র্যাঞ্চাইজি। দল তুলে নেওয়ার প্রচ্ছন্ন হুমকিও রয়েছে। সবমিলিয়ে জটিলতা চরমে। এসবের মধ্যেই অনিশ্চয়তা বাড়ছে ফুটবলারদের মধ্যে। অনির্দিষ্টকালের জন্য অনুশীলন বন্ধ মোহন বাগানের। কবে পরিস্থিতির উন্নতি হবে কেউই জানেন না। শুধু তাই নয়। বেশ কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজি বাজেট কমাতে পারে। ফলে ফুটবলারদের বেতনে কাটছাঁট হওয়া স্বাভাবিক। সুপার কাপের পর বাকি মরশুমের ভবিষ্যৎ ঠিক কী? বুক ঠুকে বলার জায়গায় কেউই নেই। ইস্ট বেঙ্গলের ফুটবলার শৌভিক চক্রবর্তী সোশ্যাল সাইটে হতাশা প্রকাশ করেছেন। বাকিরাও অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। প্রাপ্য অর্থ না পেলে অনেকেই ফিফার দ্বারস্থ হতে পারেন। সেক্ষেত্রে আরও গাড্ডায় পড়বে ভারতীয় ফুটবল।