দুবাই: ঘড়ির কাঁটা তখন সকাল দশটা ছুঁইছুঁই। রমজান মাস চলছে। তেহরানের রাস্তায়, দোকান-বাজারে ইতস্তত ভিড়। ঠিক এমনই সময়ে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল ইরানের রাজধানী সহ অন্য একাধিক শহর। কিছুক্ষণের মধ্যেই জানা গেল, গত দেড়-দু’সপ্তাহ ধরে চলা যাবতীয় জল্পনা-আশঙ্কা সত্যি করে পশ্চিম এশিয়ার এই দেশে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। সঙ্গী ইজরায়েল। মার্কিন অভিযানের পোশাকি নাম ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’। আর ইজরায়েলের... ‘অপারেশন লায়ন রোর’। দু’পক্ষেরই মূল টার্গেট ইরানের ‘সুপ্রিম লিডার’ আয়াতোল্লা আলি খামেনেই ও প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তেহরানের শহরতলি এলাকায় খামেনেইয়ের প্রধান বাসভবন চত্বর লক্ষ্য করে আছড়ে পড়ে একাধিক মার্কিন-ইজরায়েলি মিসাইল। একাধিক ভবন বিধ্বস্ত হয়। রাতে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু জানান, খুব সম্ভবত খামেনেইয়ের মৃত্যু হয়েছে। একই দাবি করেছে আমেরিকাও। ইজরায়েলের এক উচ্চপদস্থ কর্তা জানান, ইরানের সুপ্রিম লিডারের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর দেহও মিলেছে। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, নেতানিয়াহু ও ট্রাম্পকে খামেনেইয়ের মৃতদেহের ছবি দেখানো হয়েছে। সেই দাবি অবশ্য উড়িয়ে দেয় ইরান। তাদের দাবি, ৮৬ বছর বয়সি নেতাকে আগেই সুরক্ষিত জায়গায় সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদা ও রেভ্যুলশনারি গার্ডের কমান্ডার মহম্মদ পাকপুর। ইরানের বিভিন্ন এলাকা থেকে এখনও পর্যন্ত ২০১ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। জখম প্রায় ৭০০।



