Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

আন্দামানে ঢুকল বর্ষা, শুক্রবার পর্যন্ত রজ্যে ঝড়-বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি

আন্দামানে ঢুকল বর্ষা, শুক্রবার পর্যন্ত রজ্যে ঝড়-বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি
  • ১৮ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী শুক্রবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়-বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিত থাকবে। আবহাওয়া দপ্তর শনিবার পূর্বাভাসে এমনটাই জানিয়েছে। উত্তরপ্রদেশের পূর্ব অংশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। সেখানে থেকে নিম্নচাপ অক্ষরেখা গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে আছে। তার সঙ্গে বায়ুপ্রবাহের গতিপ্রকৃতি  ও বঙ্গোপসাগর থেকে বেশি মাত্রায় জলীয় বাষ্প বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করার জন্য বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হচ্ছে রাজ্যজুড়ে। শনিবারও সারাদিন উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হয়। কোথাও কোথাও জোরালো ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে। আজ, রবিবার দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সর্বত্র বজ্রপাত সহ বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। পূর্ব বর্ধমানে আজ ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার উত্তরবঙ্গে বেশি ঝড়-বৃষ্টি হয়েছিল। শনিবার সকালের দিকে মূলত উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বজ্রমেঘ সৃষ্টি হয়। দুপুর থেকে উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি  দক্ষিণবঙ্গের বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, নদীয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হুগলি জেলায় বজ্রমেঘ প্রবেশ করে ঝাড়খণ্ডের দিক থেকে। 

Advertisement

আলিপুর আবহাওয়া অফিসের অধিকর্তা হবিবুর রহমান বিশ্বাস জানিয়েছেন, মে মাসে প্রাক-বর্ষা মরশুমে রাজ্যে বজ্রমেঘ থেকে  ঝড়বৃষ্টির প্রবণতা বেড়ে যায়। সেটাই এখন হচ্ছে। সর্বত্র কম-বেশি বৃষ্টি হচ্ছে নিয়মিত। এই সময় সর্বত্র একসঙ্গে বৃষ্টি হয় না। যেখানে বজ্রমেঘ ঘনীভূত হয়, সেই এলাকায় বৃষ্টি নামে। কোন এলাকায় ঝড়-বৃষ্টি হবে, তা নির্দিষ্টভাবে বোঝা যায় কয়েক ঘণ্টা আগে। সেইমতো আবহাওয়া দপ্তর পূর্বাভাস জারি করে। 
এদিকে, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর অগ্রগতি অব্যাহত আছে। আন্দমান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে বর্ষাকাল শুরু হয়েছে। বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে বর্ষা ঢুকে পড়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে মৌসুমি বায়ু প্রবেশ করে যাবে। উত্তর পূর্ব বঙ্গোপসাগরের দিক থেকে মায়ানমার হয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতে বর্ষা ঢোকে। কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তর আগেই জানিয়েছে, ২৭ মে নাগাদ কেরলে বর্ষা ঢুকতে পারে। ওই সময়ের মধ্যে উত্তর-পূর্ব ভারতেও বর্ষা চলে আসে কি না, সেটাই এখন দেখার। সাম্প্রতিক অতীতে এরকম উদাহরণ রয়েছে বলেই জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ