সংবাদদাতা, বনগাঁ: বাইকে চাপিয়ে অন্তঃসত্ত্বা মেয়েকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে অন্য একটি বাইকের ধাক্কায় মৃত্যু হল বাবার। নাম দেলোয়ার তরফদার (৩৭)। ধাক্কায় গুরুতর জখম হয়েছেন মৃতের মেয়ে ও বউ। অন্য বাইকের চালকও জখম হয়েছেন।
সংবাদদাতা, বনগাঁ: বাইকে চাপিয়ে অন্তঃসত্ত্বা মেয়েকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে অন্য একটি বাইকের ধাক্কায় মৃত্যু হল বাবার। নাম দেলোয়ার তরফদার (৩৭)। ধাক্কায় গুরুতর জখম হয়েছেন মৃতের মেয়ে ও বউ। অন্য বাইকের চালকও জখম হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বনগাঁ থানা সংলগ্ন ত্রিকোণ পার্ক এলাকায়। জখম ইয়াসমিনা তরফদার ও তাঁর মা তসলিমা তরফদার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সকলেই বনগাঁ থানার সভাইপুরের বাসিন্দা। অন্য বাইকটির চালক ঋজু মিত্র (২২) বনগাঁর বাসিন্দা। তাঁকেও বনগাঁ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিস বাইক দু’টি আটক করেছে।
বৃহস্পতিবার রাত ১টা নাগাদ মেয়ে ইয়াসমিনাকে নিয়ে বনগাঁ হাসপাতালে যাচ্ছিলেন দেলোয়ার। সঙ্গে স্ত্রীও ছিল। বনগাঁ থানার সামনে মেয়ে জল খেতে চায়। রাস্তার পাশে বাইক থামিয়ে মেয়ে জল খাচ্ছিল। সেই সময় বনগাঁ হাসপাতালের দিক থেকে একটি বেপরোয়া বাইক এসে দাঁড়িয়ে থাকা বাইকে সজোরে ধাক্কা মারে। তিনজনই জখম হন। দ্রুত বনগাঁ থানার পুলিস তাঁদের বনগাঁ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা দেলোয়ারকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃতের দাদা সাইদুল তরফদার বলেন, ভাইজিকে নিয়ে হাসপাতালে যাচ্ছিল দাদ ও বউদি। সেই সময় উল্টোদিক থেকে একটা বাইক এসে ওদের ধাক্কা মারে।
অন্যদিকে, এদিন রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ এই ত্রিকোণ পার্কে গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর জখম হন পথচারী এক যুবক। নাম অশোক মণ্ডল (৩৭)। বৃহস্পতিবার রাতে চা খেয়ে তিনজন হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন। সেইসময় একটি গাড়ি তাঁদের ধাক্কা মারে। পড়ে যান অশোক। তাঁর পায়ের উপর দিয়ে গাড়ি চলে যায়। তাঁকে প্রথমে বনগাঁ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে কলকাতা স্থানান্তরিত করা হয়েছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাত ৯টার পর রাস্তা কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে যায়। বাংলাদেশগামী পণ্যবাহী গাড়ির দাপটে রাস্তায় চলা করা দায় হয়ে ওঠে। প্রায় ঘটে দুর্ঘটনা। বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল শেঠ বলেন, ‘রাতে নজরদারি আরও বাড়ানো উচিত। বাংলাদেশগামী গাড়িগুলির চেকিং শহরের বাইরে করলে যানজট কমবে। প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলব।’